<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	xmlns:georss="http://www.georss.org/georss" xmlns:geo="http://www.w3.org/2003/01/geo/wgs84_pos#" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	>

<channel>
	<title>কথা ও কবি</title>
	<atom:link href="http://khanahmed.wordpress.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://khanahmed.wordpress.com</link>
	<description>স্বাধীনতা আমায় ক্ষমা কর,আমি তোমার অধম পুত্র-তানভীর আহমেদ</description>
	<lastBuildDate>Wed, 19 Oct 2011 08:00:31 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.com/</generator>
<cloud domain='khanahmed.wordpress.com' port='80' path='/?rsscloud=notify' registerProcedure='' protocol='http-post' />
<image>
		<url>http://0.gravatar.com/blavatar/01a59157037de047b2124d21524c3d2f?s=96&#038;d=http%3A%2F%2Fs2.wp.com%2Fi%2Fbuttonw-com.png</url>
		<title>কথা ও কবি</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com</link>
	</image>
	<atom:link rel="search" type="application/opensearchdescription+xml" href="http://khanahmed.wordpress.com/osd.xml" title="কথা ও কবি" />
	<atom:link rel='hub' href='http://khanahmed.wordpress.com/?pushpress=hub'/>
		<item>
		<title>‘ফকির’ লালন শাহ কেন ‘বাউল সম্রাট’?-আবদেল মাননান</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/19/%e2%80%98%e0%a6%ab%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e2%80%99-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e2%80%98%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b2/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/19/%e2%80%98%e0%a6%ab%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e2%80%99-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e2%80%98%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b2/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 19 Oct 2011 07:19:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[1]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=677</guid>
		<description><![CDATA[‘ফকির’ লালন শাহ কেন ‘বাউল সম্রাট’? ‘ফকির’ লালন শাহ কেন ‘বাউল সম্রাট’? আবদেল মাননান দৈনিক সকালের খবর, ১৪ অক্টোবর, ২০১১ &#8230; ফকির লালন শাহ্ সম্বন্ধে দেশ-বিদেশে বিস্তর রূপকথা, মিথ্যা-বানোয়াট কল্পকাহিনী আর কিংবদন্তি জনপ্রিয়ভাবে চালু আছে। বাংলার আবালবৃদ্ধবনিতা তার নাম জানে তো বটেই, এমনকি পাশ্চাত্ত্যের রাজা-রানীরাও কমবেশি তার খবর রাখেন। আমরা প্রায় সবাই তার কালাম শুনি [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=677&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div><strong><a href="http://www.facebook.com/groups/103336499767915/doc/136783889756509/">‘ফকির’ লালন শাহ কেন ‘বাউল সম্রাট’?</a></strong></div>
<p>‘ফকির’ লালন শাহ কেন ‘বাউল সম্রাট’?</p>
<p>আবদেল মাননান<br />
দৈনিক সকালের খবর, ১৪ অক্টোবর, ২০১১</p>
<p>&#8230; ফকির লালন শাহ্ সম্বন্ধে দেশ-বিদেশে বিস্তর রূপকথা, মিথ্যা-বানোয়াট কল্পকাহিনী আর কিংবদন্তি জনপ্রিয়ভাবে চালু আছে। বাংলার আবালবৃদ্ধবনিতা তার নাম জানে তো বটেই, এমনকি পাশ্চাত্ত্যের রাজা-রানীরাও কমবেশি তার খবর রাখেন। আমরা প্রায় সবাই তার কালাম শুনি বা গেয়ে থাকি-হোক তা বুঝে কি না বুঝেই। সাঁইজির সুরবাণীর কোন অধরা হাত জীবের গভীর প্রাণসুতো ধরে টান দেয় সেটা তার আবির্ভাব ও লীলাবিলাসের মতোই অজানা রহস্যে ভরা। এ সাধুগুরুর জীবন ও ধর্মকর্ম নিয়ে দুই বাংলায় শিক্ষিত, আলেম তথা পণ্ডিতসমাজ এ পর্যন্ত বিশাল বিশাল ‘মাথাভারি গবেষণা’র বোঝাভরা অনেক বই বের করেছে। সেসব এক জায়গায় এনে তুলনামূলক যাচাই-বাছাই শুরু করলে ‘গবেষণার কম্বল উজাড়’ হয়ে যায়। ওই পণ্ডিতগণের আরোপিত ‘বাউল’ ধারণার সঙ্গে সাঁইজির অভিব্যক্ত তত্ত্বের কোনো সঙ্গতি বা মিল খুঁজে পাওয়াই যায় না। নিদারুণ পরিহাসের বিষয়, যখন অনেকে লালনজীবনী ‘বানাতে’ নেমে রীতিমতো ফ্যান্টাসি নভেলকেও হার মানিয়ে যায়। নিরপেক্ষ বিচারে লালনজীবনীকার ও লালনসংগীত সঙ্কলকদের কেউ এ পর্যন্ত বিতর্কের উপরে উঠতে পারেনি। এ হল কাগুজে লালনচর্চার বহির্মুখী চেহারা।<br />
অন্যদিকে শত শত বছরের মিথ্যে প্রচার, অবমাননা, অত্যাচার ও বিতাড়ন সত্ত্বেও লালনচর্যার অন্তর্গত ‘ফকিরি মাওলাইয়াত’-এর সূক্ষ্মধারাটি একেবারে প্রাণে মেরে উচ্ছেদ করতে পারেনি প্রাসাদবাসী চক্রান্তকারীরা। এটা অবশ্য লালনশাহী ঘরানার আত্মদর্শনমূলক সাধনার অতিগোপন কুরসিনামা। অসমর্পিত-অভক্তদের কাছে তা প্রকাশযোগ্য নয়। দুনিয়ামুখী প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্বান-পণ্ডিতবর্গ নিজেদের কৃতিত্ব জাহিরের অন্ধ প্রতিযোগিতা, লালন ফকিরকে নিয়ে খেয়োখেয়ি বা মূল্যায়নের মুলা ঝোলানো স্বর্ণপদক আর লাখ টাকার পুরস্কার পেল না পেল ওসব নিয়ে সাধুগণ মোটেও ভাবিত নন। এরাই শতবর্ষ ধরে হূদয়পদ্মে সাঁইজি লালনকে ধরে রেখেছেন যেখানে রাষ্ট্র, মিডিয়া, পণ্ডিত, বুদ্ধিজীবী তথা এনজিও বা বিশ্ববিদ্যালয়অলা অহঙ্কারী লোকদের প্রবেশের কোনো ছিদ্র নেই। তাদের শুদ্ধভক্তির প্রতি অবনত-বিনয়ী হওয়ার মতো ভক্তিশক্তি কোনো শেয়াল পণ্ডিত বা ধুরন্ধর বুদ্ধিজীবীর কস্মিনকালেও হয় না। রহস্যজগতের অন্তর্মুখী লালনসাধক সম্বন্ধে তাই বলার অবকাশ নেই। বলা দরকার বাইরে থেকে আরোপিত সাম্রাজ্যবাদী ধারণাতন্ত্র সম্পর্কে যা সমাজ সংসারে ফকির লালন শাহ সম্বন্ধে অহেতুক বিতর্ক আর সীমাহীন বিভ্রান্তিপূর্ণ ধারণা সৃষ্টি করে রেখেছে।<br />
ফকির লালন শাহেক ‘বাউল’ বলে চিত্রিত করে একটি শ্রেণী নোংরা সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত ও সস্তা চালাকি করেছে। তাতে লালন শাহকে সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধির ছকে ফেলে বিতর্কিত রাখার সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে লাভবান করা হয়েছে বিভেদপন্থী কাটমোল্লাবাজির অশুভ রাজনীতিকে। উপরন্তু ফকির লালনের নামের আগে ‘বাউল সম্রাট’ ছাপ মেরে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের কেন্দ্রবিন্দু থেকে সাঁইজিকে অনেক দূরে নির্বাসিত করে রাখতে সফল হয়েছে। যে মহাসত্য প্রকাশের প্রয়োজনে লালন ফকিরের উত্থান তাকে একেবারেই উল্টে দেওয়া হয়েছে জনমানসে। বাইরের মিথ্যারোপ দ্বারা লালনকে সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থবুদ্ধির মাপে কেটে ছেঁটে বিতর্কিত বানানোর ধর্ম-রাজনীতি এখনও বাজারে চালু আছে। সমুদ্রকে কলসিতে পুরে ধরতে গেলে যেমন হয় আলেম-পণ্ডিতের লালন ধরাও তেমনই অন্ধের হস্তীদর্শন। ফকির লালন নিজেকে কখনও কোথাও ‘বাউল’ বলে পরিচয় দেননি। অন্তত তার ভাষা-বাক্যের কোথাও তেমন দৃষ্টান্ত নেই। লালনভক্তগণও সেকথা কখনও বলেন না।<br />
সন্দেহাতীতভাবে ফকির লাল শাহ যে একজন মুসলিম সুফিসাধক ছিলেন তার উল্লেখ পাই সাঁইজির অত্যন্ত প্রীতিভাজন ও স্নেহধন্য সাধক, কুষ্টিয়া অঞ্চলের কুমারখালী থেকে দু’বাংলায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত মফস্বল পত্রিকা ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’র সম্পাদক ও প্রকাশক কাঙ্গাল হরিনাথ রচিত ধর্মতাত্ত্বিক প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কাঙ্গালের ব্রহ্মাণ্ডবেদ’-এর দ্বিতীয় ভাগ প্রথম সংখ্যায়। তাতে যোগতত্ত্বের আলোচনা প্রসঙ্গে একটি উপটীকায় সুস্পষ্টভাবে লালন ফকিরকে মুসলমান কুলোদ্ভব ‘পরমভক্ত যোগী’ এবং তার গুরু সিরাজ শাহকে ‘সিদ্ধযোগী’ বলে উল্লেখ করেছেন। সাঁইজির ঘনিষ্ঠ প্রভাবে কাঙ্গাল হরিনাথ পরিণত জীবনে ‘ফিকিরচাঁদ’ নামধারণ করে অসংখ্য তত্ত্বগানও রচনা করেছিলেন।<br />
অথচ সাঁইজিকে যারা কখনও চোখেই দেখেনি তেমন কয়েকজন সুশীল পণ্ডি ‘হিতকরী’ নামক পুরনো একটি পত্রিকায় গুরুত্বহীনভাবে ছাপানো নামপরিচয়হীন জনৈক প্রতিবেদকের অনুমাননির্ভর একটি রচনাকে ভিত্তিরূপে ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ সাজিয়ে সাঁইজি লালনকে ‘হিন্দু কায়স্থ’ ধর্মাবলম্বী বলে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এদের দার্শনিক-ঐতিহাসিক ভ্রান্তির কারণে সাম্প্রদায়িক ওয়াহাবি কাটমোল্লা ও গৌড়ীয় বৈষ্ণবরা লালন সাঁইজির তথাকাথিত ‘হিন্দু’ পরিচয়কে পুঁজি করে নিজেদের মনগড়া বিকৃত রাজনীতির বিস্তার ঘটিয়ে সমাজে সাম্প্রদায়িক মতভেদ ছড়াতে সক্ষম হয়েছে।<br />
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে লালন বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজটি করেছেন ফ্রান্সের অহহরব ঐবরবহব ঞত্ড়যরবত্। তার রচিত ঋঅকওজ খধ য়ঁবঃব ফ’ঁহ ইধঁষ সঁংঁষসধহ গ্রন্থে সাঁইজি লালনকে মুসলমান সুফিসাধক বলে দাবি করেছেন। ২০০০ সালে প্যারিস থেকে ফরাসি ভাষায় সাঁইজির তত্ত্বকে গভীর অনুসন্ধানের মাধ্যমে তিনি বিশ্বাসভায় তুলে ধরার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। প্যারিসের বিখ্যাত খ’ঐধত্সধঃঃধহ প্রকাশনী ‘জবপযবত্পযবং অংরধঃরয়ঁবং’ সিরিজে এ গবেষণাকর্মটি প্রকাশ করে দায়িত্বশীলতা ও সত্যানিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখেছেন। বড় দুর্ভাগ্য বাঙালির, দুই বাংলার কোনো গবেষকদের মধ্যে এমন সত্যনিষ্ঠা কখনও দেখা গেল না। শ্রীচৈতন্য যৌবনকালে ডাকসাইটে ব্রাহ্মণ ও সংস্কৃত ভাষা-সাহিত্যের তুখোড় পণ্ডিত ছিলেন। আধ্যাত্মিক গুরু কেশব ভারতীর শিষ্যত্বে সাধনা শুরু হয় তার। পাণ্ডিত্য-অহঙ্কার ত্যাগের কঠোর সাধনা শেষে তাকে ঘোষণা করতে হল একদিন :<br />
অষ্টরিপু সাঙ্গ করি।<br />
মহাবাউল নাম ধরেছি<br />
নিমাই সন্ন্যাসী আটটি রিপু ইন্দ্রিয় ধ্বংস করে সিদ্ধিসাধনার ফলে ‘মহাবাউল’ হয়ে ওঠেন। তার প্রায় পাঁচশ’ বছর পরে ফকির লালন শাহ্ অবতীর্ণ হন নদীয়ায়। কিন্তু কোনো ইন্দ্রিয় রিপু সাঙ্গ করার সাধনায় ব্রতী হতে হয়নি সাঁইজিকে। কোনো পাণ্ডিত্য, অহঙ্কার, ভদ্রতা বা সভ্যতার সংস্কার ছেড়ে তিনি সাধন করে ফকির হননি। এটি তার জন্মসূত্রে অর্জিত শৌর্য। এ কারণেই তিনি এতিম-সর্বহারা। চৈতন্যদেবকে কেউ ‘বাউল চৈতন্য’ বা ‘বাউল নিমাই’ বলে অভিহিত করে না। তাহলে স্বাভাবিকভাবে কি প্রশ্ন জাগে না, ফকির লালনের নামের আগে ওই খেতাব কারা এবং কেন জুড়ে দিল। সেটিই জিজ্ঞাস্য সমাজের কাছে। যে নিমাই নিজেকে ‘মহাবাউল’ বলে উচ্চনাদ তোলেন তার নামের আগে সে ভুষণটি জুড়ে দিলে তবে লাগসই হতো। কিন্তু ‘ফকির’ লালনকে কেন ‘বাউল সম্রাট’ বানানোটা এমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াল। সাঁইজি নিজেকে কখনও ‘বাউল’ বলা তো দূরের কথা, এমনকি স্বঘোষিত ‘মহাবাউল’ নিমাই তথা শ্রীচৈতন্যকে পর্যন্ত তিনি ‘ফকির’ বলে শনাক্ত করছেন বারবার। কয়েকটি উদাহরণ এখানে হাজির করি অখণ্ড লালনসংগীত থেকে :<br />
১. ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে<br />
এমন বয়সে নিমাই ঘর ছেড়ে ফকিরি নিলে<br />
২. কে আজ কৌপিন পরালে তোরে<br />
তার কি দয়ামায়া নাই অন্তরে<br />
একপুত্র তুইরে নিমাই<br />
অভাগিনীর অর কেহ নাই<br />
কী দোষে আমায় ছেড়ে নিমাই<br />
ফকির হলি এমন বয়সেরে<br />
৩. ঘরে কি হয় না ফকিরি।<br />
কেন হলিরে নিমাই আজ দেশান্তরী<br />
৪. কী কঠিন ভারতী না জানি<br />
পরাইলো কোন পরানে কৌপিনি<br />
হেন ছেলে ফকির হয় যা শত শত ধন্য সে মা’র<br />
কেমনে রয়েছে সে ঘর ছেড়ে সোনার গৌরমণি<br />
৫. রূপ-সনাতন উজির ছিল প্রেমে মজে ফকির হলো<br />
লালন বলে এমনই জেনো প্রেমের ক্ষমতা<br />
ফকির লালনকে ধুরন্ধর ওয়াহাবি আলেম-বুদ্ধিজীবিগণ ‘বাউল’ বনানোর জালিয়াতি করেন অথচ তিনি প্রতিষ্ঠিত বাউলকে ‘ফকির’ বলেই সম্মানিত করছেন। সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে দাঁড়াল না! নিমাই ফকিরকে গর্ভধারিণী শচীমাতা, স্ত্রী বিঞ্চুপ্রিয়ার ঘর-সংসার ছেড়ে পথে নামতে হয়েছিল সংকীর্তনে। আর ফকির লালন মাতৃপিতৃহীন-ভাইবন্ধুশূন্য, ঘরছাড়া আজন্মকাল। ফকির নিমাই প্রথমে যৌবনে বেদ-পুরাণের জ্ঞানলাভ করে নামজাদা পণ্ডিত ছিলেন। শেষ জীবনে বেদ-বেদান্তের কাগুজে জ্ঞান ফেলে তাকে গলায় ছেঁড়া কাঁথা জড়িয়ে পথে পথে নেচে বেড়াতে হয়েছিল হরিনাম বিলিয়ে।<br />
অথচ সাঁইজি লালনকে কখনও কাগজের কোরান-হাদিস পড়তে হয়নি। কোনো মোল্লা-মুন্সির কাছে কিংবা মাদ্রাসায় তা শিখতেও হয়নি। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ার কালীগঙ্গা বাদলবাসা নদীজলে ভাসমান অবস্থা থেকে তাকে তুলে আনেন মলম কারিগর। দৃশ্যত ফকির লালন কাঁটাবন থেকে উঠে আসেন আশ্রমে। সম্পূর্ণ বৈপরীত্য সত্ত্বেও ফকির লালন কীর্তনের ছলে পুনর্মূল্যায়ন করেন ফকির নিমাই ফকিরের। এ লেখক কর্তৃক সম্পাদিত ‘অখণ্ড লালনসংগীত’ গ্রন্থে কৃষ্ণলীলা বিভাগে নিমাইলীলা, গৌরলীলা ও নিতাইলীলা ভূমিকা দ্রষ্টব্য।<br />
মধ্যযুগের ভারতীয় মুসলিম সুফিবাদের প্রভাব শ্রীচৈতন্যের মতো চিন্তানায়কদের চরমভাবে প্রভাবিত না করলে ব্রাহ্মণ্যবাদী জাতপাতমূলক বর্ণপ্রথার বিরুদ্ধে সামাজিক বিদ্রোহ করা সম্ভব কি না সন্দেহ। মধ্যযুগে ভারতে পারস্য থেকে আগত মুসলিম সুফিবাদের অসামান্য প্রকৃতি হল উগ্র উপদলীয় সংস্কার এবং গোঁড়া শাস্ত্রীয় কুপ্রভাব থেকে তা সম্পূর্ণ মুক্ত।<br />
প্রকৃতপক্ষে এখানে ইসলাম ধর্মের ইতিবৃত্ত সূচিত হয় সুফি সম্রাট খাজা মঈনউদ্দিন চিশতীর পদাঙ্ক ধরে। যার জন্ম ১১৪২ সালে পারস্যের সিস্তানে। ১১৯৩ সালে তিনি দিল্লি এসে পৌঁছেন এবং আজমিরের হিন্দুতীর্থ পুষ্করে এসে গোঁড়া ব্রাহ্মণ্যবাদী-শাস্ত্রাচারী ধার্মিকদের বহু বাধা ও কপটতার বিরুদ্ধে আত্মিক জিহাদের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক রাজত্ব বিস্তার শুরু করেন। তার কামালিয়াতের সামনে তত্কালীন সংকীর্ণ হিন্দু সাম্প্রদায়িক কুসংস্কার বশীভূত হয়। অনেক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেই খাজা বাবা ভারতবর্ষে মোহাম্মদী ইসলামের সত্য পতাকা উড্ডীন করেছিলেন, যা আরব ও পারস্যের গোত্রীয় কলহবাজ সাম্রাজ্যবাদী রাজা-বাদশারা প্রায় ধ্বংস করে ফেলেছিল। ভারতে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায়েই তার বিপুল অনুসারী আছেন যারা নিজেদের ‘হোসাইনী ব্রাহ্মণ’ রূপে পরিচয় দিয়ে থাকেন।<br />
দেখা গেছে বৈষ্ণব পদাবলি শুধু বৈষ্ণবেরা লিখেননি। বিদ্যাপতি তো বৈষ্ণবই ছিলেন না। অন্যদিকে আদি চণ্ডীদাস যখন বৈষ্ণব পদ লিখছেন তখন শ্রীচৈতন্য তো এ মর্ত্যে আগমনই করেননি। সে সময় গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের জন্মও হয়নি। অনেক পরে বৈষ্ণবেরা রাধাকৃষ্ণ পুরাণ নিয়ে প্রেমভক্তির গান নিজেদের কণ্ঠে তুলে নিয়েছিল। শ্রীচৈতন্য যেহেতু দণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি ও জয়দেব খুব পছন্দ করতেন তাই সে সব পদ বৈষ্ণব সাহিত্যে ঠাঁই পেয়েছে। মধ্যযুগে মুসলমান পদকর্তাগণ বিপুল বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেছেন। ফকির লালন সাঁইজির তত্ত্বভিত্তিক নূরতত্ত্ব, নবিতত্ত্ব ও রসুলতত্ত্ব সংগীতের পাশাপাশি  কৃষ্ণলীলা, গোষ্ঠলীলা, নিমাইলীলা, গৌরলীলা ও নিতাইলীলা সংগীতে সেই বিকাশ ধারা জারি রয়েছে। কিন্তু একটি বিষয় খুব ভালো করে খেয়াল রাখা দরকার যে, সাঁইজির কৃষ্ণলীলার গৌরদর্শন গৌড়ীয় বৈষ্ণবদর্শনের সঙ্গে কখনও মেলে না। কেন না সাঁইজির যে অখণ্ড ভাবদর্শন থেকে মোহাম্মদী নূরতত্ত্ব, নবিতত্ত্বও রসুলতত্ত্বমূলক পদ সৃজন করেন ঠিক সেই একই ভাবদর্শন থেকেই তার কৃষ্ণপদ বা গৌরপদও সৃজিত হয়।<br />
লালন ফকিরের জীবদ্দশায় কোনো মোল্লা-মৌলভী তার ধর্মদর্শনের ওপর ‘ফতুয়া’ দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখায়নি। ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে তার সামনে বুক সোজা করে দাঁড়াবার মতো মেরুদণ্ডের জোর তখনও কোনো কাঠমোল্লার ছিল না। সাঁইজি ইহধাম ত্যাগের বহু পরে তার ছেউড়িয়া আশ্রমে ভক্তদের ওপর হামলা-হাঙ্গামা শুরু হয়। ক্রমে ‘সাঁইজি ধাম’ বেহাত হয়ে যেতে থাকে। ওয়াহাবি-ফরায়েজি-কাঠমোল্লাচক্র লালনভক্তদের তার আখড়া থেকে উচ্ছেদের নানামুখী অপচেষ্টা চালায়। ফকিরি উত্খাত করতে হীনম্মন্য সাম্প্রদায়িক মোল্লারা বহু বদ-কৌশল গ্রহণ করে। দূরপ্রসারী সে চক্রান্তের অংশ হিসেবে কাঠমোল্লারাই সর্বপ্রথম ফকির লালন সাঁইজির নাম থেকে ‘ফকির’ বাদ দিয়ে ‘বাউল’ বিশেষণটি লাগাতে শুরু করে। কারণ ‘ফকির’ কোরানের বিশেষ অর্থপূর্ণ একটি শব্দ। এতে মুসলমানি গন্ধ লেগে আছে।<br />
ওরা লালনপন্থীদের সহি ‘ফকির’ বলে ঠিকই চিনেছিল। কিন্তু বৃহত্তর বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাঁইজির মোহাম্মদী ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার কূটকৌশল হিসেবে ‘ফকির’ শব্দটি বাদ দিয়ে লালনের নামের আগে অত্যন্ত কুকৌশলে ‘বাউল’ পরিচয়টি চাপিয়ে দেয়। দিনে দিনে তারা এ খণ্ডিত পরিচয়কেই জনপ্রিয় করে তোলা। হয়ে ওঠেন ওয়াহাবিপন্থীদের মাথাব্যথার অনেকে ধর্মতত্ত্ব নিয়ে ফকির লালন শাহর সঙ্গে বাহাস করতে এসে প্রথম ধাক্কাতেই এমন চিত্পাটাং খায় যে, কোমর সোজা করে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভবই হয়ে পড়ে। হাতেনাতে এমন প্রামাণ মেলে মাওলানা দুদ্দু শাহর রচিত পাণ্ডুলিপিতে :<br />
বাহাস করিতে যাইয়া বায়াত হইনু।<br />
আমি অতি অভাজন লালন সাঁই বিনু<br />
শত শত মৌলভী তার সাথে বাহাস বা কুতর্ক করতে এসে পর্যুদস্ত হয়ে টের পায়, লালন ফকির অতিউচ্চমানের ধর্মতত্ত্বজ্ঞ-সূক্ষ্ম মহাজ্ঞানী। সাঁইজি প্রচলিত সব লোকধর্মের অনেক ঊর্ধ্বে শুদ্ধতম সুফি মতবাদ পোষণ করার জন্য বহুবার শরিয়তপন্থী লঘু আলেমদের বাহাস মোকাবেলায় বীরদর্পে নিজের সত্য নিজেই প্রমাণিত করেন। জবরদস্ত বহু শরিয়তি আলেম তার যুক্তির নিচে মাথানত না করে ফিরে যেতে পারেনি। কবি জসীমউদ্দীন ১৩৩৩ সালের শ্রাবণ সংখ্যা ‘বঙ্গবাণী’ পত্রিকায় এমন দুটো বাহাসের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছিলেন। একটি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কাছে চড়ুইখালী এবং অন্যটি পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে। কুষ্টিয়ানিবাসী মৌলভী আফসার উদ্দিন বহু বছর আগে জানিয়েছিলেন যে, তিনি মুন্সি এবাদতউল্লাহ ও মুন্সি শায়খ ইয়াসিনের কাছে শোনেন, একবার বৈশাখ মাসে কুষ্টিয়ার অদূরে জায়নাবাজ গ্রামে এ রকম এক বাহাস অনুষ্ঠিত হয়। উপরি-উক্ত দুই মুন্সি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।<br />
বহু তর্ক-বিতর্কের পর এক কাঠমোল্লা লালন সাঁইজির পরিচয় জানতে জিজ্ঞেস করে : ‘তুমি কে’। ফকির লালন তত্ক্ষণাত্ আরবি ভাষায় উত্তর দিলেন: ‘আনা মুজাক্কারুন, ওয়া মুয়ান্নাসুন, ওয়া মুখান্নাসুন।’ এর অর্থ: ‘আমি পুংলিঙ্গ, আমি স্ত্রীলিঙ্গ এবং আমিই ক্লীবলিঙ্গ’। ফকির লালন শাহ ‘ওয়াহাদাতুল অজুদ’ বা সর্বেশ্বরবাদী সুফি সম্রাট। আরবি-ফারসি ভাষা ও সাহিত্যে সবিশেষ বুত্পত্তি না থাকলে কোরানের হুবহু ভাষ্য বা টেক্সট এত অনায়াস সুন্দর বিন্যাসে সংগীতে রূপান্তরিত-বিকশিত করা মোটেই সম্ভব নয়।</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/677/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/677/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=677&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/19/%e2%80%98%e0%a6%ab%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e2%80%99-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e2%80%98%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>লালন সাঁইজির আদিভাব ও অভাবের জোড়াতালি -আবদেল মাননান</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/19/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/19/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 19 Oct 2011 07:12:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[Lalon]]></category>
		<category><![CDATA[Abdel Mannan]]></category>
		<category><![CDATA[Article on Lalon]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=674</guid>
		<description><![CDATA[লালন সাঁইজির আদিভাব ও অভাবের জোড়াতালি লালন সাঁইজির আদিভাব ও অভাবের জোড়াতালি লেখক: আবদেল মাননান  &#124;  মঙ্গল, ১৮ অক্টোবর ২০১১, ৩ কার্তিক ১৪১৮,  দৈনিক ইত্তেফাক সোনার মান গেলোরে ভাই ব্যাঙ্গা এক পিতলের কাছে। শাল পটকের কপালের ফের কুষ্ঠার বানাত দেশ জুড়েছে &#8230; বাজিল কলির আরতি প্যাঁচ প’লো ভাই মানীর প্রতি ময়ূরের নৃত্য দেখে প্যাঁচায় পেখম [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=674&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<h3><strong><a href="http://www.facebook.com/groups/103336499767915/doc/136492343118997/">লালন সাঁইজির আদিভাব ও অভাবের জোড়াতালি </a></strong></h3>
<h3><span style="color:#ff0000;">লালন সাঁইজির আদিভাব ও অভাবের জোড়াতালি</span><br />
<span style="color:#ff0000;"> লেখক: আবদেল মাননান  |  মঙ্গল, ১৮ অক্টোবর ২০১১, ৩ কার্তিক ১৪১৮,  দৈনিক ইত্তেফাক</span></h3>
<p>সোনার মান গেলোরে ভাই ব্যাঙ্গা এক পিতলের কাছে।<br />
শাল পটকের কপালের ফের কুষ্ঠার বানাত দেশ জুড়েছে<br />
&#8230; বাজিল কলির আরতি প্যাঁচ প’লো ভাই মানীর প্রতি<br />
ময়ূরের নৃত্য দেখে প্যাঁচায় পেখম ধরতে বসে<br />
শালগ্রামকে করে নোড়া ভূতের ঘরে ঘণ্টা নাড়া<br />
কলির তো এমনই দাঁড়া স্থূলকাজে সব ভুল পড়েছে<br />
সবাই কেনে পিতল দানা জহরের তো উল হলো না<br />
লালন বলে গেলো জানা চটকে জগত্ মেতেছে<br />
প্রচলিত সামাজিক-রাজনৈতিক ইতিহাসের ঘেরাটোপে লালন নেই। এ ইতিহাসে খাঁটি সোনার চাইতে ভেজাল পিতলদানাই বেশি আকর্ষণীয় ও মূল্যবান। যান্ত্রিক যুগের কৃত্রিম বিজ্ঞাপনী চটকে সত্যদ্রষ্টা মহাপুরুষেরা গণমাধ্যমে কোণঠাসা। শাঁইজি লালনকে অগ্রাহ্য করে ইতিহাস সন্ধান করতে গেলে তা মিথ্যার ভাগাড়ে পরিণত হতে বাধ্য। লালন শাহ এ বাংলায় অবতীর্ণ হন যখন সমগ্র ভারতবর্ষ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের পোক্ত উপনিবেশ।<br />
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলার মসনদ দখলে সফল হলেও বৃহত্তর সমাজে বিনা প্রতিরোধে প্রবেশ করতে পারেনি। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এদেশে যদি সর্বপ্রথম কোনো প্রতিরোধ বা স্বাধীনতা সংগ্রাম কেউ করে থাকেন তা করেছিলেন বাংলার ফকির ও সন্ন্যাসীগণ। বাংলার সমাজে যখনই ইঙ্গ সাম্রাজ্যবাদীরা হাত দিতে চেয়েছে তখনই ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের উত্তাল তরঙ্গে তা ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘকালীন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্যে এদেশে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং রক্তাক্ত পন্থায় ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ দমন করতে লেগেছিলো কমপক্ষে নব্বই বছর।<br />
লাখো ফকির-সন্ন্যাসীর রক্তসিক্ত পটভূমিকায় ফকির লালনের অভ্যুদয় ঘটে। এ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট আমাদের অবগত থাকা জরুরি। না হলে সাঁইজি লালনের আবির্ভাব ও উত্থানগত তাত্পর্য মোটেই বোধগম্য হবে না। একথা খোদ ব্রিটিশরাও স্বীকার করে যে, ভারতে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী স্বাধীনতার আদি প্রবক্তা বাঙালিরাই। এ বাংলায় বিদেশিদের প্রথম আগ্রাসন সূচিত হয়, পরে তা ভারতব্যাপী বিস্তৃত হয় বিশাল সাম্রাজ্যে। এখানেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রতিরোধের সূতিকাগার।<br />
এখানকার ঐতিহ্যবাহী সাধুসন্ত-ফকির-মোহান্তদের কর্মকাণ্ড যখন সাম্রাজ্যবাদী নির্মম রাষ্ট্রশক্তি ও কাঠমোল্লাচক্রের বারংবার আক্রমণে পর্যুদস্ত ও বিপন্ন হয়ে পড়েছিলো তখনই অখণ্ডমণ্ডলের অধীশ্বর ফকির লালন সাঁইজির আবির্ভাব ঘটেছে। তাঁর প্রাণবন্ত দর্শনের নানামাত্রিক দোলা প্রচলিত ভেদাভেদমূলক ধর্মচর্চার সংস্কৃতিকে ভিতসুদ্ধ কাঁপিয়ে তুলেছিলো। লালন সাঁইজির মানবধর্ম মতবাদকে ধ্বংস করার ফতোয়া দিয়ে অনেক বইও লিখেছিলো কাঠমোল্লা-মৌলভিরা। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। পণ্ডিতি বুদ্ধি জাহির করতে এসে সাঁইজির সামনে এসে ধরা খেয়ে তাঁর আমৃত্যু ভক্ত হয়েছেন কতোজন, সে কথা বলতে গেলে কেরামতির গল্প-পুরাণ বেশ বড় হয়ে ওঠে। আসল কথা চাপা পড়ে যায়।<br />
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ যখন টের পেলো, এদেশে তাদের রাজত্বের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গেছে, এখানে যে ক’দিন কৌশলে টিকে থাকা যায় সেটাই লাভ। প্রধান দুই ধর্ম হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে গোলমাল বাঁধিয়ে ভারতকে এমনভাবে টুকরো টুকরো করে পঙ্গু বানিয়ে ফেলে রেখে যাওয়া হবে, যার যন্ত্রণাদায়ক রেশ শতবর্ষ পর্যন্ত আমাদের হানাহানিতে ব্যস্ত রাখবে।<br />
ব্রিটিশ রাজশক্তি মুসলমান ও হিন্দু ধর্মের অনুসারীদের মনে বিরোধ-বিভেদের বীজরোপণের চেষ্টাকালে ফকির লালন শাহ যে অখণ্ডদর্শন তুলে ধরেছিলেন, সেদিন তা যদি নেতৃবর্গ গ্রহণ করতো তাহলে বাংলাকে বিভক্ত করা সম্ভব হতো না। দ্বিজাতিতত্ত্বে আমাদের মন বিকারগ্রস্ত হতো না। আমাদের জাগতিক-পারত্রিক উন্নত জীবন হতো ব্যাখ্যাতীতভাবে সুন্দর। লালনমত যদি সেদিন এদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক নেতারা স্বীকার করে নিতেন তাহলে লালনের দর্শন হতো অখণ্ড ভারতদর্শন। তাঁর ভাবের ভাষাই হতো বাঙালির সাহিত্যিক-প্রাত্যহিক ভাষার মানদণ্ড। লালনধারার অনন্য দার্শনিকতা মণ্ডিত বাঙালির জীবন হতো পৃথিবীর জন্যে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।<br />
সর্বভারতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে লালনতত্ত্বকে উপেক্ষা করেছে এবং হেঁটেছে সম্পূর্ণ উল্টোপথে। কেউ ঢুকেছে সংঘ পরিবারে, কেউ গেছে কংগ্রেসে ও কেউ মুসলিম লীগের খোপে। বাংলা ভাগ হলো, ভারত ভাঙলো। সাঁইজির গলার ওপর যেন ছুরি চালানো হলো। হিন্দুয়ানি-মুসলমানির দাঙ্গা-হাঙ্গামায় বাঙালি তার মহাপুরুষ-অবতারের পথনির্দেশনা অমান্য করে হিংসা-হানাহানির ফ্যারে পড়ে গেলো। এখনো সে পাপের যন্ত্রণাদায়ক জের টেনে চলেছি আমরা।<br />
লালন শাহ ত্রিকালদ্রষ্টা মহাপুরুষ। আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দু-মুসলমানের জন্যে দুটো পৃথক কৃত্রিম রাষ্ট্র বানিয়ে ভারত ভেঙে ভাগ করার অর্ধশতেরও বেশি বছর আগে তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃক হিন্দু কলেজ এবং আলীয়া মাদ্রাসা স্থাপনের পরিণাম স্পষ্ট দেখতে পান তিনি। তাই বিষণ্নচিত্তে সাঁইজি গিয়েছিলেন :<br />
ফকিরি করবি ক্ষ্যাপা কোন রাগে।<br />
আছে হিন্দু-মুসলমান দুই ভাগে<br />
বেহেস্তের আশায় মোমিনগণ হিন্দুদের স্বর্গেতে মন<br />
টল কী অটল সেহি মোকাম লেহাজ করে জান আগে</p>
<p>কিংবা,<br />
কাশী কি মক্কা যাবি চলরে যাই।<br />
দোটানাতে ঘুরলে পথে সন্ধ্যাবেলা উপায় নাই<br />
মক্কায় যেয়ে ধাক্কা খেয়ে যেতে চাও কাশীধামে<br />
এমনই মতে কাল কাটালে ঠিক নামালে কোথা ভাই<br />
নৈবেদ্য পাকা কলা তাই দেখে মন ভোলে ভোলা<br />
শিরনি বিলায় দরগাতলা তাও দেখে মন খলবলায়<br />
চুল পেকে হলে হুড়ো না পেলে পথের মুড়ো<br />
লালন বলে সন্ধি ভুলে না পেলাম কূল নদীর ঠাঁই<br />
বস্তুত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদসৃষ্ট বাঙালি শিক্ষিত হিন্দু-মুসলমান মধ্যবিত্ত (ELITE) নেতৃত্ব অর্ধশতবর্ষ আগে ধর্মের নামে ভারত টুকরো করে বসলেও কেউই ধর্মের মূলসত্যের ধারে কাছে জ্ঞানগতভাবে পৌঁছাতে পারেনি। বেহেস্ত বা স্বর্গের লোভে তারা ধর্মচর্চা করে। তাই তো সাঁইজি নৈবেদ্য পাকা কলার লোভে মন্দিরে এবং শিরনির টানে দরগাতলায় ছোটাছুটিরত দাঙ্গাবাজদের চরিত্র এঁকেছেন, যারা চুল-টিকি-দাড়ি পাকিয়ে ফেলেছে কিন্তু মুক্তিপথের সন্ধান কখনো পায়নি। সেজন্যে সাঁইজির সত্যদ্বীন এদের কাছে মূল্য পায়নি।<br />
১৮৯০ সালে লালন শাহ যখন অন্তর্হিত হন তাঁর ভক্ত সংখ্যা তখন প্রায় কোটির ঘরে। দুর্বল গণমাধ্যম ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সাঁইজির সত্যদর্শন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিলো দিগ্বিদিক। রবীন্দ্রনাথের মতো কবির মনেও যা তুমুল দোলা লাগিয়েছিলো। কিন্তু এলিট সমাজ তা টের পায়নি। কারণ ব্রিটিশ প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থার কবলে পড়ে ইউরোপীয় আদলে মানুষ হতে গিয়ে এদের মাটি থেকে পা আলগা হয়ে গিয়েছিলো।<br />
পশ্চিমা সমাজের অন্ধ অনুসরণে সুবিধেভোগী এ পরগাছা শ্রেণীর শিকড়চ্যুত নানা সংস্কার প্রবণতা, আঠারো-উনিশ শতকে এলিট সমাজের তথাকথিত রেনেসাঁ’ বা নবজাগরণ প্রভৃতি আন্দোলন স্ববিরোধী হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষিত-সভ্য এসব ‘কলোনিয়াল খরগোশ ছানা’দের সব হৈ চৈ আখেরে বৃথা গেছে। এলিটীয় ভ্রান্তির বিপরীতে লালনতত্ত্ব আজও শুদ্ধতায় জীবন্ত। যুদ্ধবাজ, সাম্রাজ্যবাদ, জাতীয়তাবাদ ও চরিত্রহীন রাষ্ট্রশক্তি লালনতন্ত্রকে জনমানস থেকে মুছে ফেলতে পারেনি, কোনদিন পারবেও না। সামনে সুন্দর সময় আসছে।</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/674/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/674/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=674&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/19/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>লালন দর্শন</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/13/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/13/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 13 Oct 2011 18:46:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[1]]></category>
		<category><![CDATA[লালন]]></category>
		<category><![CDATA[Lalon]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=666</guid>
		<description><![CDATA[লালনের সূফিবাদ যে বোঝে নাই ,সে লালন কে বোঝে নাই । লালনের নবী বন্দনা যে বোঝে নাই, ইসলামের আধ্যাত্মিকবাদ তার কাছে নিছক পাগলামি-তানভীর আহমেদ<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=666&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>লালনের সূফিবাদ যে বোঝে নাই ,সে লালন কে বোঝে নাই ।<br />
লালনের নবী বন্দনা যে বোঝে নাই, ইসলামের আধ্যাত্মিকবাদ তার কাছে নিছক পাগলামি-তানভীর আহমেদ </p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/666/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/666/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=666&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/13/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>আহলে বাইত ও ইসলাম</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/13/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/13/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 13 Oct 2011 18:43:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসলাম ও আহলে বাইত]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামের ইতিহাস ও ইতিহাস বিকৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[কথাগুলো না বললেই নয়]]></category>
		<category><![CDATA[Ahle Baiyat]]></category>
		<category><![CDATA[আহলে বাইত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=669</guid>
		<description><![CDATA[আহলে বাইতের খেদমতে নিজে কতটুকু উৎসর্গ করতে পেরেছি আমি জানি না,তবে নিশ্চয়ই আহলে বাইতের উছিলায় আমার রব আমায় কবুল করবেন। আহলে বাইত ও ইসলাম শিরোনামের যুক্তিযুক্ত বিষয় হচ্ছে,আহলে বাইতের ভালবাসা ব্যতীত ,ইসলামের কোন গুরুত্ব আছে বলে মনে হয় না । আমি ইসলামী চিন্তাবিদ না,তাই হাদিস রেফারেন্স আনতে পারছি না।তার মানে এই নয় যে আমি আহলে [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=669&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<pre><span style="color:#ff0000;">আহলে বাইতের খেদমতে নিজে কতটুকু উৎসর্গ করতে পেরেছি আমি জানি না,তবে নিশ্চয়ই আহলে বাইতের উছিলায় আমার রব আমায় কবুল করবেন।
আহলে বাইত ও ইসলাম শিরোনামের যুক্তিযুক্ত বিষয় হচ্ছে,আহলে বাইতের ভালবাসা ব্যতীত ,ইসলামের কোন গুরুত্ব আছে বলে মনে হয় না ।
আমি ইসলামী চিন্তাবিদ না,তাই হাদিস রেফারেন্স আনতে পারছি না।তার মানে এই নয় যে আমি আহলে বাইত সম্পর্কে মহানবির বয়ান আমার জানা ।
আমি এই ব্লগে বিভিন্ন সময়ে আহলে বাইতের মর্যাদা ও মাওলা আলী কারামুল্লাহর মাওলায়েত সম্পর্কের বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ সংযোজন করেছি।আশা রাখি ভবিষতে
এই ধারা অব্যাহত রাখার ,যদি মাওলা চান ।
</span></pre>
<h2><span style="color:#008000;">ইসলাম ও আহলে বাইত-১</span></h2>
<p>ওরা কি সত্য জেনেও কি বসে থাকবে<br />
এজিদের বংশের গোলামি করবে<br />
রাজতন্ত্রের গোলাম হয়ে, এমন ভাব করে ওরাই শুধু ইসলাম বোঝে<br />
&#8230; মুখে মুখে ওদের বানানো হাদিস বলে বেড়াই<br />
খেলাফতের কথা বলে,ওরাই তো মুয়াবিয়ার পদাঙ্ক অনুসারী<br />
ওদের সাথে তো আমরা এক হতে পারি না ,<br />
ওরা আমাদের জানে না,প্রিয়নবীর তথা আহলে বাইতের কথা ও মর্যাদা জানে না<br />
কিন্তু আমরা ওদের টা জানি ,স্বার্থনেস্বী গোষ্ঠী ক্ষমতার লোভে প্রিয়নবীর বয়ান কে না মেনে ওদের মনগড়া<br />
হাদিস দিয়ে নতুন প্রক্রিয়ায় শাসক গোষ্ঠী বসাতে পিছু পা হয় না<br />
ওদের সাথে মূল বিষয়ে পার্থক্য শুধু এখানে,</p>
<p>তানভীর আহমেদ</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/669/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/669/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=669&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/13/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>সর্বসম্মত হাদিসসমূহে মাওলা আলীর গৌরব ও মর্যাদা সম্বন্ধে  মহানবির বয়ান এবং বদ্ধমূল বিভ্রান্তির অবসান</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/06/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%93/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/06/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%93/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 06 Oct 2011 13:54:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসলামের ইতিহাস ও ইতিহাস বিকৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=663</guid>
		<description><![CDATA[সর্বসম্মত হাদিসসমূহে মাওলা আলীর গৌরব ও মর্যাদা সম্বন্ধে মহানবির বয়ান এবং বদ্ধমূল বিভ্রান্তির অবসান &#160; লালন বিশ্বসঙ্ঘ আয়োজিত সুফি সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী স্মারক ৩য় বক্তৃতা ২০১১ &#160; স্মারক বক্তা : আবদেল মাননান সভাপতি : রফিক ভুঁইয়া &#160; ২৩ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার, বিকেল ৪:০০ মি. আর সি মজুমদার আর্টস অডিটরিয়াম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। &#160;  ****************************************************************************************************** &#160; &#160; [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=663&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="text-decoration:underline;"><strong>সর্বসম্মত হাদিসসমূহে মাওলা আলীর গৌরব ও মর্যাদা সম্বন্ধে</strong></span></p>
<p><span style="text-decoration:underline;"><strong>মহানবির বয়ান এবং বদ্ধমূল বিভ্রান্তির অবসান</strong></span></p>
<p><a href="http://khanahmed.files.wordpress.com/2011/10/dsc_0052.jpg"><img class="alignnone size-full wp-image-664" title="DSC_0052" src="http://khanahmed.files.wordpress.com/2011/10/dsc_0052.jpg?w=490&#038;h=314" alt="" width="490" height="314" /></a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>লালন বিশ্বসঙ্ঘ আয়োজিত</strong></p>
<p><strong>সুফি সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী স্মারক ৩য় বক্তৃতা ২০১১</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>স্মারক বক্তা : আবদেল মাননান</strong></p>
<p><strong>সভাপতি : রফিক ভুঁইয়া</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>২৩ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার, বিকেল ৪:০০ মি.</strong></p>
<p><strong>আর সি মজুমদার আর্টস অডিটরিয়াম</strong></p>
<p><strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong> ******************************************************************************************************</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মান্যবর সভাপতি,</p>
<p>সমবেত সাধু, সুধী ও সজ্জনমন্ডলী,</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আত্মিক শুভেচ্ছা ও ভক্তি গ্রহণ করুন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সদ্গুরু সুফি সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী</strong> স্মারক এ তৃতীয় বক্তৃতার বিষয় হলেন মাওলা আলী করমুল্লাহু যিনি <strong>শেরে খোদা</strong> নামেই অধিক সুপরিচিত। অথচ আমরা তাঁর সম্পর্কে তেমন কিছুই সঠিক অর্থে জানি না। তাঁকে নিয়ে আমাদের শিক্ষিত সমাজে হৃদয়গ্রাহী কোনও আলোচনার আয়োজনও চোখে পড়ে না। লালন বিশ্বসংঘ তার সূত্রপাত ঘটাল এখানে। আমরা চাই সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহতভাবে বিকাশ লাভ করুক। তবে বক্তৃতার প্রারম্ভে এ দৈন্য অকপটে স্বীকার করি যে, মহানবীর সাথে মাওলা আলীর মহত্তম সম্পর্ক চর্চা বিষয়ে আমার মত ক্ষুদ্রলোকের পক্ষে কোনও কথা বলা অসাধ্য সাধনতুল্য কঠিন কাজ। অনেক গুণী-জ্ঞানীজনকে আমরা আহ্বান করেছিলাম। কিন্তু বিরাজমান বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে কেউ মাওলা আলীকে নিয়ে উচ্চবাচ্য করে ঝুঁকির মধ্যে পড়তে নারাজ। তাই নিজেদের সমস্ত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সে দায় শেষ পর্যন্ত কাঁধে তুলে নিতেই হলো। যদি অনভিপ্রেত ভুলত্রুটি কোথাও ঘটে থাকে তার জন্য মাওলাজির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি । অখণ্ড ভারতবর্ষে মোহাম্মদী ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা <strong>খাজা গরীবে নেওয়াজ মঈন উদ্দিন চিশতী</strong> তাঁর অমর সাধুকাব্য <strong>দিওয়ান-ই- মঈন উদ্দিন </strong>এ লিখেছেন:</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলীর তুলনা ভাষার তুলিতে কখনও যায় কি আঁকা?</strong></p>
<p><strong>অসীম সাগর কলসির মাঝে কখনও যায় না রাখা ॥ </strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সুলতান-উল হিন্দ খাজা বাবার যেখানে এমন ভাব সেখানে আমি কোন ছার? আলী না হয়ে কখনও আলীর মহাভাব ব্যক্ত করা যায় না। মাওলা আলী সম্বন্ধে প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বে মহানবী যে কথাগুলো বলেছিলেন এবং যা সর্বসম্মত হাদিসরূপে সকল ধর্মীয় উপদলের আলেম সমাজে গৃহীত তার কিয়দংশমাত্র এখানে আমরা উদ্ধৃত করছি। অবশ্য প্রচলিত রাজসিক-ভোগবাদী ধর্মজগতের ধারণাতন্ত্রের কাছে এ শুদ্ধসত্য নবীবাণী অকল্পনীয় মনে হতে পারে। তবু তা নিখাদ সত্য। অথচ মাওলা আলীর মর্যাদা ও গৌরব প্রকাশক যে হাদিসগুলো আমরা এখানে আলোচনা করব সেগুলো বিদ্যমান মাদ্রাসা পাশ করা আলেম-হাফেজ-মৌলবীগণ বেশ ভাল করেই জানেন। কিন্তু স্বার্থবশে বা লৌকিক ভয়ে কখনও তা প্রকাশ-প্রচার করেন না। তাতে যদি <strong>শিয়া</strong> বলে বদনাম রটে তা হবে সর্বনেশে।</p>
<p><strong>আলী</strong> অর্থ সর্বোচ্চ। <strong>আল্লা’র </strong>অপর নাম <strong>আলী</strong>। আদি কোরানে মহানবীর নামের পাশে মাওলা আলীর নাম যেমন উল্লিখিত ছিল বহুবার তেমনই শতশত হাদিসেও আলীর গুণকীর্তনে পঞ্চমুখ ছিলেন আমাদের দয়াল নবীজি স্বয়ং। আমরা আলীপ্রেমীগণ আদি কোরান-হাদিসের আলোকে তাঁর নামকীর্তন করলে তাতে যারা একপেশে ‘শিয়া’টে গন্ধ খুঁজে বেড়ান তাদের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই, আলীস্তুতির কারণে মহানবীকেও তারা ‘শিয়া’ বলে আখ্যায়িত করবেন কিনা? পাশাপাশি শুনে শুনে যারা <strong>সুন্নী</strong> মুসলমান হয়ে অহাবী-কাঠমোল্লাদের মতান্ধতায় গোলমাল বাঁধায় ওদের কাছেও আমাদের প্রশ্ন ‘শিয়া’ বলে পৃথক কোনও দল বা উপদল কি আল্লাহর রসুলগণ সৃষ্টি করে গেছেন কখনও? তাহলে এক কোরান, এক নবী, এক রসুলের প্রবর্তিত ইসলাম ধর্মে এসব উপদলীয় কোন্দল- গোজামিলের জন্ম কে বা কারা দিল? এসব কাদের চক্রান্তের ফল?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অন্যদিকে <strong>আলী</strong>র মহত্ব সম্বন্ধে হাজারো বছর ধরে সিদ্ধ সাধু-জ্ঞানীগণ কাব্য-সঙ্গীতে নানা রূপকে প্রশংসা-কীর্তন করে এলেও খোলামেলা কথা বলতে কেউ চাননি। লেখালেখির সাহসও কারও হয়নি। ব্যতিক্রম কেবল <strong>সুফি মাওলা সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী</strong>। তাঁর সুলিখিত <strong>মাওলার অভিষেক ও ইসলাম ধর্মে মতভেদের কারণ </strong>নামক গ্রন্থটি শুধু বাংলা ভাষায় নয়, সারা বিশ্বে আলীর মাহাত্ম্য ও তাঁর মাওলাইয়াত বিষয়ক শ্রেষ্ঠতম প্রকাশনা। ইসলামের ইতিহাসের নামে মধ্যযুগীয় উমাইয়া-আব্বাসীয় রাজা-বাদশাদের মিথ্যাচার ও তাদের ভাড়াটে দরবারী বুদ্ধিজীবীদের সৃষ্ট হাজার বছরের চলমান প্রচার-চক্রান্তের মুখোশ তিনি খুলে দিয়েছেন তথ্যনিষ্ঠ ও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণাত্মক এ গ্রন্থের পরতে পরতে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>গুরুজির দুঃসাহসী এ গ্রন্থসূত্রে আমরা প্রথম জানলাম যে, মহানবী তাঁর আধ্যাত্মিক ক্ষমতার যোগ্য উত্তরাধিকারীরূপে আলীকে গড়ে তুলেছিলেন। নবীর পরে রেসালতের কাজে আলী হলেন তাঁর একমাত্র যোগ্য প্রতিনিধি। মহানবী জীবনের প্রথম ও শেষতম হজ করে জন্মভূমি মক্কাকে চিরবিদায় জানিয়ে মদিনা যাবার পথে <strong>১৮ জিলহজ</strong> তারিখে <strong>গাদিরে খুম </strong>নামক স্থানে সোয়া লক্ষ অনুসারীর সামনে আলীকে পরবর্তী নেতারূপে তুলে ধরেন। সেদিন <strong>ওমর, আবু বকর, ওসমান</strong>সহ সবাই লাইন ধরে মাওলারূপে একে একে <strong>আলী</strong>র হাতে হাত রেখে বায়াত গ্রহণ করেছিলেন। তার পূর্বে উপস্থিত জনতার সামনে মঞ্চে <strong>আলী</strong>কে দুই বাহু ধরে শূন্যে তুলে ধরে <strong>মহানবী</strong> বলেছিলেন<strong>, আমি যার মাওলা আলী তার মাওলা। হে আল্লাহ, তুমি তাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ কর যে আলীকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তাকে শত্রুরূপে গ্রহণ কর যে তাঁর সাথে শত্রুতা করে, এবং সাহায্য কর তাঁকে যে সাহায্য করে, এবং লাঞ্ছনা দাও তাঁকে যে লাঞ্ছনা দেয়। </strong>(তিরমিজি, ২য় খ- পৃ.২৩৩, আল বেদায়া ও নেহায়া, ৭ম খ-, পৃ.২৪৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পরিতাপের বিষয়, মুষ্টিমেয় সংখ্যক লোক ছাড়া কেউ আলীর মর্যাদা তথা আল্লাহর বন্ধুত্ব রক্ষা করে না। সেকথা মহানবী আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বে বলে গেছেন, <strong>আলীর বিরোধিতাই ইসলামের প্রথম ভাঙন</strong>। (ইউনাবিল মোয়াদ্দা, ২য় খন্ড, পৃ.৩১৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মাওলা আলী একমাত্র  মহাপুরুষ যিনি জন্ম নিয়েছেন কাবাগৃহের মধ্যে। তাঁর জন্মের পূর্বে নবী প্রার্থনা করেছিলেন,<strong> হে আল্লাহ, আমাকে ততক্ষণ পর্যন্ত তুলে নিও না যতক্ষণ না আলীর আবির্ভাব ঘটে। </strong>(আল বেদায়া ও নেহায়া, পৃ.৩৫৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>জন্মের পর  মহানবী নিজের জিহ্বা শুষিয়ে পান করানোর পর মাতৃস্তন্য পান করেছিলেন তিনি। আলী হলেন নবীর চাচা আবু তালেবের পুত্র। নবীর দাদা আবদুল মোতালেব দেহত্যাগের পর তাঁকে শৈশব ও কৈশোরে লালনপালন করেন আবু তালেব। আলীর প্রতি গভীর মমত্বের কারণে তাঁকে নবী ছোটবেলা থেকে নিজের মনমত গড়ে তোলেন। নবীজি আলীর সম্বন্ধে বলেন,<strong> নিশ্চয় আমার সাথে প্রথম যিনি সালাত করেন তিনি হলেন আলী। </strong>(মসনদে আহমদ, ৪র্থ খ-, পৃ.৩৪৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমার উপর সর্বপ্রথম ঈমান আনয়নকারী এবং আমাকে সর্বপ্রথম সমর্থনকারী হলেন আলী।</strong> (আনসাব উল আশরাফ, ২য় খ-, পৃ.৩৬২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমার কাছে হাউজে কাউসারে যে আসবে সর্বপ্রথম সে-ই ইসলাম গ্রহণ করেছে </strong>(কান্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.২১৪, হাদিস নং ১১৯৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>প্রত্যক্ষভবে নবীর সদাচার আত্মস্থকারী সুমহান গুণাবলির অধিকারী ছিলেন আলী। <strong>নবুয়ত-রেসালত</strong> প্রকাশের বহুকাল আগে থেকেই র্তিনি ছিলেন তাঁর সার্বক্ষণিক সহচর। আলী বলেন,<strong> আমি ও খাদিজা ব্যতিত আর কেউ হেরাগুহায় ধ্যানমগ্ন মোহাম্মদকে দেখেনি</strong>।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নবুয়ত প্রকাশের সাথে সাথেই তিনি মোহাম্মদের উপর ঈমান এনে তাঁকে রসুল বলে স্বীকার করে নিয়েছিলেন। মহানবীর মুখনিঃসৃত কোরান সর্বপ্রথম আরবী ভাষায় লিপিবদ্ধ করেছিলেন আলীই। আলীর পরম রহস্যজ্ঞান নবী ব্যক্ত করেন এভাবে, <strong>মেরাজের রজনীতে আরশের ছায়ায় আমি দেখলাম সেখানে লেখা আছে যে, আমিই পুরুষ উপাস্য, আমি ব্যতিত নাই কোনও নারী উপাস্য, মোহাম্মদ সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম, আমি আলীর দ্বারা তাঁকে সাহায্য ও সহযোগিতা দান করি।</strong> (কাঞ্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.১৫৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অথচ আলীর হাতে লেখা আদি কোরানকে অগ্রাহ্য করে ওমর যে কোরান সঙ্কলন ওসমানকে দিয়ে করায় তাতে প্রকৃত কোরানের প্রায় <strong>পাঁচ শতাধিক বাক্য</strong> বাদ দেয়া হয়। ওমর <strong>নসখ</strong> ও <strong>মনসুখ</strong> এর নামে কোরানের উপর যে অত্যাচার ও অস্ত্রোপচার চালায় তাতে মোহাম্মদী কোরানের চেহারাই পুরো পাল্টে গেছে। নবী নিজেই বলেছেন, <strong>আলী কোরানের সাথে, কোরান আলীর সাথে। </strong>(নূর উল আবসার, পৃ. ৮৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমার জ্ঞানের দরজা আলী যার সাথে আমাকে (কোরান) পাঠানো হয়েছে এবং আমার পরবর্তী কালে উম্মতের কাছে আমার বর্ণনাকারী হলেন আলী। </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.২১২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নবীজির তিরোধানের পর আলীর মাওলাতন্ত্রকে উপেক্ষা করে ওমর গং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে যে খেলাফতি শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে তার বিষময় ফল আমরা এখনো ভোগ করে চলেছি বিশ্বময়। আজ পৃথিবীর সামনে কোরানকে বানানো হয়েছে সন্ত্রাসবাদী গ্রন্থ। মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী। অথচ নবীজি বলেছিলেন,<strong> আলীর স্মরণ-সংযোগে তোমাদের সমাবেশকে অলঙ্কৃত কর। </strong>(মানাকেব, ইবনে মাগাজেনী,পৃ.২১১)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমার পর আলী মোমিনদের অভিবাবক। </strong>(তিরমিজি, ৫ম খ-, পৃ.৬৩২)</p>
<p><strong>পাপস্খলনের দরজা হলেন আলী, যে এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছে সে নিরাপত্তা লাভ করেছে</strong>। (কাঞ্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.২০৩, হাদিস নং ১১৫০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলী মোমিনদের মেরুদণ্ড। </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ১২তম খ-, পৃ. ২০৪, হাদিস নং ১১৫৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলী হলেন জাহান্নাম ও জান্নাতের বন্টনকারী</strong>। (ইউনাবিল মোয়াদ্দা, ১ম খ-, পৃ.১৬৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এমন আরও হাদিস অনেক আছে; যথা: <strong>লোকদের মধ্যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি জানেন কেবল আলী।</strong> (কাঞ্জুল উম্মাল, ৫ম খ-, পৃ.৩২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলী জান্নাতিদের উজ্জ্বল জ্যোতি অর্থাৎ ঝলক।</strong> (আসসাওয়ায়েকুল মোহাররেকা, পৃ.১২৫)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলীর দরজা ব্যতিত মসজিদের আর সব দরজা বন্ধ করে দাও।</strong> (আল বেদায়া ও নেহায়া, ৭ম খ-, পৃ.৩২৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>হে লোক সকল, আমি তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছি, আমার নৈকট্যপ্রাপ্ত ভাই ও আমার চাচার পুত্র আলীকে ভালবাসতে</strong>। (তারিখ ইবনে আবসার, ২য় খ-, পৃ.২০৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আয়েশা থেকে ও তারাবানী এবং মারদুইয়া ইবনে আব্বাস থেকে উদ্ধৃত করছেন,<strong> ঈমানে অগ্রাধিকার রয়েছে তিনজনের, যথা: ১. ইউসা বিন নূন সবার পূর্বে মুসা নবীর উপর নবুয়তের স্বীকৃতি দেন, ২.সায়েরে ইয়াসির ঈসা নবীর নবুয়তকে স্বীকার করেন, ৩. আলী ইবনে আবু তালেব মোহাম্মদের নবুয়তের প্রথম স্বীকৃতিদাতা। </strong>(দায়লামী)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মোহাম্মদী ইসলামের সূচনাকাল থেকে আলী মহানবীর সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে ছিলেন। হেরাগুহা থেকে আরম্ভ করে প্রতিকূলতাময় জলে স্থলে রণাঙ্গনে সর্বত্রই তিনি ছিলেন নবীজির সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহকারী। কেবল তাবুকের যুদ্ধ ব্যতিত রসুলের জীবদ্দশায় সব যুদ্ধে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন মহাবীর হিসেবে বিরুদ্ধবাদী বাহিনির বীরদের পরাভূত করে দ্বীন ইসলামের পতাকাকে সমুন্নত করেছিলেন। ওহুদের যুদ্ধে যখন হযরত আলী প্রতিপক্ষের সৈন্যদের নিপাত করছিলেন তখন জিব্রাইল বলেছিলেন,<strong> হে রসুলাল্লাহ, আপনাদের উভয়ের অস্তিত্বে আমি অস্তিত্ববান</strong>। (কাঞ্জুল উম্মাল, ৬ষ্ঠ খ-, পৃ.৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সালমা হতে এক রেওয়াতে জানা যায়, হযরত আলী চোখের অসুস্থতার কারণে নবী করিমের কাছে ছিলেন না, পেছনের দলে ছিলেন। তখন মহানবী বলেন, ‘<strong>আগামীকাল আমি যুদ্ধের পতাকা এমন একজনের হাতে তুলে দেব যাঁকে আল্লাহ ও রসুল অত্যন্ত প্রিয়ভাজন মনে করেন। তাঁর হাতেই আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত হবে’</strong>। <strong>হঠাৎ আমরা আলীকে দেখতে পেলাম। তখন সবাই বলে উঠল: তা হলে তিনি হলেন আলী। নবীজি আলীর হাতে পতাকা তুলে দিলেন। সে যুদ্ধে বিজয় অর্জিত হলো</strong>। (সহি বোখারী, হাদিস নং ৮৯৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>শুধু  যুদ্ধবিদ্যায় নয়, জ্ঞানজগতের এমন কোনও ক্ষেত্র ছিল না যাতে আলীর দখল ছিল না। তিনি হলেন একাধারে সূক্ষ্ম ধর্মতত্ত্বজ্ঞানী, সুলেখক ও বাগ্মী। অলঙ্কার শাস্ত্রে তাঁর নৈপূণ্য ছিল অসাধারণ। তিনিই  আরবী ব্যাকরণ শাস্ত্রের প্রণেতা, মক্কা-মদিনা নগরীর ইতিহাস রচয়িতা। তাঁর রচিত অমর গ্রন্থ<strong> দিওয়ান-ই-আলী</strong> ও <strong>জামেয়া</strong>য় বর্ণনা দিয়েছেন ভবিষ্যতে যে সব ঘটনাবলি জগতে ঘটবে। তাঁর বক্তৃতা ও চিঠিপত্রের সঙ্কলন <strong>নাহাজ আল বালাঘা</strong> আমাদের অপরিহার্য পাঠ্য একটি গ্রন্থ। অতীত থেকে ভবিষ্যতের প্রতিটি বিষয় যে তাঁর দিব্যজ্ঞানের কাছে সুস্পষ্ট ছিল তার প্রকাশ এ গ্রন্থের প্রতিটি গ্রন্থিতে ছড়িয়ে রয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তিনি মহানবীর নবুয়তি-জ্ঞানভাণ্ডার থেকে সরাসরি জ্ঞান আহরণ করেছিলেন তাই নবী করিম বলেছিলেন,<strong>আলী আমা হতে এবং আমি আলী হতে। কোনও ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে পৌঁছায়নি আমি ও আলী ব্যতিত। </strong>(তিরমিজি, ২য় খ-, পৃ.২৩৪০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong> আমার উম্মতের মধ্যে আমার পর সর্বোচ্চ জ্ঞানী ব্যক্তি হলেন আলী।</strong> (মসনদে আহমদ, ৫ম খ-, পৃ. ৩২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>নিশ্চয় অটল পথের (সিরাতাল মোস্তাকিম) একটি কাল আছে যখন আলী ব্যতিত কেউ তা পার হতে পারবে না।</strong> (তারাবী, পৃ.১২৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মাওলা আলীর মাহাত্ম্য বোঝাতে মহানবী ঘোষণা করেন,<strong> যে আমার উপর ঈমান এনেছে ও আমাকে নবীরূপে স্বীকার করেছে তাকে আমি আলীর কাছে পাঠাই সত্যায়নের জন্য। </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ১২তম খ-, হাদিস নং ১১৯৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সেই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশাধিকার পাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত সে আলীর অনুমোদন লাভ না করবে।</strong> (আল ফারওয়াদে মাজমায়া, পৃ.৩৩৯, হাদিস নং ১৩২৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আবু সাইদ খুদরী থেকে রেওয়ায়েত, <strong>আমরা হযরত আলীর প্রতি শত্রুতা থেকেই মোনাফেকদের চিনতে পারতাম। যারা আলীর সাথে শত্রুতা করত তাদের মোনাফেক বলতাম। </strong>(তিরমিজি)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>পুণ্যবানদের ইমাম (নেতা) ও পাপাচারীদের নিশ্চিহ্নকারী হলেন আলী।</strong> (কাঞ্জুল উম্মাল, ১২তম খ-, পৃ.২০৩, হাদিস নং ১১৪৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আলী করমুল্লাহ বলেছেন, <strong>যিনি বীজ অঙ্কুরোদ্গম করেছেন ও মানুষ সৃষ্টি করেছেন তাঁর শপথ, নবী-রসুল আমাকে অসিয়ত করে বলেছেন যে,  মোমিন আমাকে ভালবাসবে আর মোনাফেক আমাকে ঘৃণা করবে।</strong>(মুসলিম)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আবু বকর মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ, মোহাম্মদ বিন বশির, জাকারিয়া, মাসায়াব, সাফিয়া প্রমুখ থেকে রেওয়ায়েত করে আয়েশা বলেন, <strong>একদিন সকালে রসুলে করিম একটি কালো চাদরে আবৃত ছিলেন। এমন সময় সেখানে হাসান বিন আলী এলে নবীজি তাঁকে চাদরের মধ্যে টেনে নিলেন। তারপর সেখানে হোসাইন বিন আলী এলেন। নবী করিম তাঁকেও চাদরের মধ্যে নিলেন। তারপর ফাতেমা তুজ জোহরা এলেন। নবী করিম তাঁকেও চাদরের মধ্যে প্রবেশ করালেন। তারপর হযরত আলী এলেন। তাঁকেও নবী সেই চাদরের ভেতর টেনে নিলেন। যখন এই পাঁচজনই  চাদরে আবৃত হলেন তখন রসুলে করিম বললেন, এ পাঁচজনই আমার আহলে বাইত অর্থাৎ আদর্শিক গৃহের অধিবাসী। </strong>(মুসলিম, ২য় খ-, পৃ.২৮৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মহানবী তাঁর কন্যা ফাতেমা তুজ জোহরার সাথে আলী ইবনে আবু তালেবকে কেন পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ করিয়েছিলেন সে বিষয়েও হাদিসে বিবরণ মেলে।<strong> নিশ্চয় আল্লাহ আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন, ফাতেমার বিবাহ যেন আলীর সাথেই দিই। </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ৪র্থ খ-, পৃ.১১৩২) কারণ<strong> আলী আকণ্ঠ ঈমান দ্বারা পূর্ণ। </strong>(ইউনাবিল মোয়াদ্দা, পৃ.৭৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অতএব  আলী ব্যতিত আর কেউ ফাতেমার পতি হবার মত পরিপূর্ন যোগ্যতা সম্পন্ন নয়। সঙ্গত কারণেই নবী করিম বলেছিলেন,<strong> যদি কারও ইচ্ছা হয় আরব যুবকদের সর্দারকে দেখবার সে যেন আলীকে দেখে। </strong>(মানকেব, ইবনে মাগাজেনী, পৃ.২৪৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>বীরোত্তম মহাপুরুষ হলেন আলী, তাঁর তলোয়ার জুলফিকার।</strong> (আল বেদায়া ও নেহায়া, ৭ম খ-, পৃ.৩৩৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নবী করিম আম্মার ইয়াসারকে বললেন,<strong> হে আম্মার, তুমি যদি আলীকে কোনও পথে চলতে দেখ, এবং অপরাপর সাহাবাদের ভিন্ন পথে চলতে দেখ (আলীর পথ ভিন্ন) মনে রেখ, তখন আলীর পথেই তোমরা যাবে ও অন্য সকলের অনুসৃত পথ পরিত্যাগ করবে। কেননা আলী তোমাদের কখনও ক্ষতিকর পথে নেবেন না এবং হেদায়েতের পথ ছাড়তে দেবেন না।</strong> (কাঞ্জুল  উম্মাল, ৬ষ্ঠ খ-, পৃ.১৫৬) কারণ,<strong> মোমিনদের আমির ও সমর্পণকারীদের (মুসলমান) নেতা হলেন আলী। </strong>(ফারায়েদে সিনতাইন, ১ম খ-, পৃ.১৪৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>জামি ইবনে ওমায়ের বলেছেন যে, <strong>একদিন আমি আমার ফুফুর সাথে আয়েশার কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম, রসুলে করিম কাকে সবচেয়ে অধিক ভালবাসেন। তিনি বললেন, রসুল ফাতেমাকে খুব ভালবাসেন। আবার প্রশ্ন করা হলো, আর পুরুষদের মধ্যে? তখন তিনি বললেন, তাঁর স্বামী হযরত আলীকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন। </strong>(তিরমিজি, পৃ. ২৭৬)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মাওলা আলী বলতেন, <strong>নবী করিমের কাছে আমার যে নৈকট্য ও মর্যাদা রয়েছে তা জগতে আর কারোরই নেই।</strong> (কাঞ্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.২১৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মহানবীর সঙ্গে মাওলা আলীর একাত্মতার প্রকাশ এত অধিকসংখ্যক হাদিসে রয়েছে যে তা নিয়ে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করা যায়। তেমনই কিছু হাদিসের চুম্বক উদ্ধৃতি এখানে সন্নিবেশিত করা গেল; যেমন:</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুনিয়া ও আখেরাতে আলী আমার ভাই</strong>। (কাঞ্জুল  উম্মাল, ১২তম খ-, পৃ.২০৩, হাদিস নং ১১৪৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলী  আমার জন্য তেমনই দেহের জন্য যেমন মস্তিষ্ক। </strong>(নূর উল আবসার, পৃ.৮৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমি আলীর প্রাণ, আলী আমার প্রাণ</strong>। (ইউনাবিল মোয়াদ্দা, ১ম খ-, পৃ.১৭৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমার পক্ষে আলী তেমন, মুসার পক্ষে যেমন হারুন।</strong> (সহি মুসলিম, ৫ম খ-, পৃ.৫৫০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলী আপন রবের পক্ষ থেকে উজ্জ্বল নিদর্শন আর আমি তার স্বাক্ষী। </strong>(তারিখে ইবনে আসকার, ৪৩তম খ-, পৃ.৩২০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>নির্দেশ আমি দেব অথবা আলী</strong>। (আল বেদায়া ও নেহায়া, ৭ম খ-, পৃ.৫৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আমার ঋণ আমি শোধ করব অথবা আলী করবে </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ১২তম খ-, পৃ. ১২০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আলী আমার ঋণ শোধ করবে এবং ওয়াদা পূরণ করবে</strong>। (ফারায়েদে সিনতাইন, ১ম খ-, পৃ.৬০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>প্রত্যেক নবীর একজন রহস্যজ্ঞানী আছেন, আমার রহস্যের জ্ঞানী হলেন আলী।</strong> (ইউনাবেল মোয়াদ্দা, ২য় খ-, পৃ.২৩৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>কেয়ামতের দিন আদম তাঁর পুত্র শিসকে নিয়ে গর্ববোধ করবেন। আমি গর্ববোধ করব আলীকে নিয়ে। </strong>(ফারায়েদে সিনতাইন, ১ম খ-, পৃ.২৩২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong> সকল নবীর একজন বন্ধু আছেন আর আমার বন্ধু হলেন আলী</strong>। (কাঞ্জুল উম্মাল, ১২তম খ-, পৃ.২২৯, হাদিস নং ১৩২৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মহান নবীজির এত জ্ঞানোদ্দীপক পবিত্র বাক্যরাজির পরও তৎকালীন আরবের লোকেরা আলীকে মনেপ্রাণে মেনে নিতে পারেনি। ওমর থেকে মুয়াবিয়া সবাই জাগতিক হিংসা-লোভ-লালসার বশবর্তী হয়ে পদে পদে নবীজির কথা অমান্য করে আসছে। অবশ্য নবী-রসুলের বাক্য যুগে যুগে ভোগবাদীরা এভাবেই অমান্য করে এসেছে। আলী সম্বন্ধে নবীজি যে বয়ানগুলো জনসমাজে নানা পর্বে দিয়েছিলেন তা যে অগ্রাহ্য-অস্বীকৃত হবে বস্তুবাদী খলিফা, রাজা-বাদশাদের দ্বারা সে কথা কি তাহলে জানতেন না তিনি? অবশ্যই জানতেন। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কোনো ঘটনা বা বিষয়ই ত্রিকালজ্ঞ-অন্তর্যামী নবী, রসুল তথা মহাপুরুষগণের অজানা থাকে না।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>একাদশ হিজরিতে মহানবী তিরোধানের পর তাঁর সকল ক্ষমতার ন্যায়সঙ্গত উত্তরাধিকারী আলীর বায়াত ভঙ্গ করে মাওলাইয়াতকে পাশ কাটিয়ে শুরু হয় খেলাফত। আবু বকর, ওমর, ওসমানের মৃত্যুর পর জনগণের চাপের মুখে আলীকে খেলাফতের দায়িত্বভার অনিচ্ছা সত্ত্বেও গ্রহণ করতে হয়েছিল। দায়িত্ব নিয়েই তিনি সেনাবাহিনি নিষিদ্ধ করেন। চার বছর নয় মাস তিনি দায়িত্ব পালনকালে একটুও স্বস্তিতে কাটাতে পারেনি। নির্বিঘ্নে কোনো কাজই করতে পারেননি। প্রথমে তালাহা ও জুবায়েরের বিদ্রোহ, তারপর মুয়াবিয়ার বিদ্রোহ ও খারিজিদের বিদ্রোহের কারণে জামালের যুদ্ধ, সিফফিনের যুদ্ধ ও নাহরাওয়ানদের যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হয়েছিল। তারপরও তিনি কঠোর নৈতিক অবস্থান থেকে সরে না দাঁড়ানোর কারণে সুবিধাবাদীরা সম্পূর্ণ তাঁর বিপক্ষে অবস্থান নেয়। শত অসুবিধা আর সংকটেও তিনি মহানবীর প্রদর্শিত পথ তথা কোরানের বিধান সমুন্নত রাখতে কখনও কোনও আপস করেননি। সুতরাং চল্লিশ হিজরির ১৯ রমজানে কুফার মসজিদে ভোরে ধ্যানরত অবস্থায় <strong>আবু মজলেম</strong> নামক গুপ্তঘাতকের অস্ত্রাঘাতে আহত হয়ে ২১ রমজানে ৬৩ বছর বয়সে শহীদ হন।</p>
<p>মহানবী মাওলা আলীর পরিণতি সম্বন্ধে বহু পূর্ব থেকে বেশ ভাল করেই অবগত ছিলেন। তাই একদা মুখোমুখি বসে বলেছিলেন,<strong> হে আলী, খুব শীঘ্রই আমার দেহত্যাগের পর এই উম্মত তোমার প্রতি অবাধ্যতা প্রকাশ করবে। যেহেতু তুমি আমার পথ অনুসরণ করবে এবং আমার সুন্নত প্রচার করবে সেহেতু তোমাকে হত্যা করা হবে। হে আলী, যে তোমাকে ভালবাসে সে আমাকেও ভালবাসে। এবং যে তোমাকে হিংসা করবে সে আমাকেও হিংসা করবে। [অতঃপর আলীর মাথা ও চুলের দিকে তাকিয়ে বললেন] আর এই পবিত্র দাড়ি ও এই মাথা রক্তে রঞ্জিত হবে। </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.১৫৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আরও একবার নবীজি বলেছিলেন,<strong> হে আলী, আমার উম্মতদের মধ্যে সে অতিনিকৃষ্ট হতভাগা যে তোমাকে হত্যা করবে।</strong> (আল বেদায়া ও নেহায়া, ৭ম খ-, পৃ. ৩২৬)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আলীর জীবনে এত বিপদ-বিপর্যয় নিশ্চিত ঘটবে জেনেও মহানবী ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন<strong>, নিশ্চয় আল্লাহ নবীর বংশ আলীর বংশধরগণের মাধ্যমে অব্যাহত বাখবেন। </strong>(কাঞ্জুল উম্মাল, ১২তম খন্ড, পৃ.১৩২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মাওলা আলীর পর যুগে যুগে <strong>হাসান হোসাইন</strong> থেকে <strong>সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী</strong> পর্যন্ত নবীর বংশধর তথা মোহাম্মদী বংশীধারীগণ বারবার কারবালায় সত্যের জন্য নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছেন কিন্তু কোনোকিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করেননি। মহাপুরুষের মাধ্যম গ্রহণ করা ছাড়া আল্লাহ পাওয়ার সরাসরি কোনও ব্যবস্থা নেই এবং কখনও ছিল না। আবার মহানবীকে অনুসরণ করার ক্ষমতা বা যোগ্যতা আমাদের নেই। নবীজিকে প্রত্যক্ষভাবে অনুসরণ করেছেন একমাত্র মাওলা আলী করমুল্লাহ। নবীজি তাঁর অবর্তমানে মাওলা আলীকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়ে গেছেন উম্মতদের। কিন্তু উম্মত নামক হতভাগারা আলীকে সম্মান ও অনুসরণ না করে তাঁকে কাপুরুষোচিত পন্থায় নির্যাতন ও হত্যা করলে ধর্ম যে কোন রসাতলে যায় তা কি আজ সারা বিশ্বে হিংসা-বিভেদ ও হানাহানির তীব্রতা দেখেও আমরা উপলব্ধি করতে পারি না? নবুওত শেষ হলেও মহানবী আলী’র রেসালত তথা মাওলায়াইয়াতের মাধ্যমে ইমামত অব্যহত রাখার ব্যবস্থা করে গিয়েছিলেন। আলীবংশের ইমাম তথা গুরুগণকে অস্বীকার করে আব্বসীয়-উমাইয়া রাজাদের বানানো ইমামদের বিভ্রান্তির জটাজালে আমরা আটকে আছি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নবীজি যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়তেন তাহলে নামাযের এক<strong>ই</strong> রকম নিয়ম প্রতিষ্ঠিত থাকত। তাহলে মালেকি, শাফেয়ি, হাম্বলি ও হানাফি মজহাবের পাঁচ রকম ভিন্ন ভিন্ন নামাযের নিয়ম ও অঙ্গভঙ্গির কসরত থাকত না। প্রকৃত ইমাম আলী ও তাঁর বংশধরদের অস্বীকার ও হত্যা করার ফলে রাজা-বাদশাদের ভাড়াটে এ মজহাবী ইমামগণ নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত নামক যে ধর্ম-সংস্কৃতির চর্চা ক্ষমতার জোরে হাজারো বছর ধরে চালু রেখেছে তা কোনোমতেই মহানবীর ইসলামধর্ম নয়। তা সম্পূর্ণ<strong>ই</strong> আরব জাতীয়তাবাদী সাম্রাজ্যবাদী রাজতান্ত্রিক ভোগবাদের ঘাণি টানা ধর্ম। মওলা আলীকে অগ্রাহ্য করে, মোহাম্মদের সত্যবাক্য অমান্য করে সরাসরি আল্লাহওয়ালা হবার ইসলাম ধর্ম এখন ৭৩ কাতার-৭৪ ফেরকায় বিভক্ত ও পরস্পর বিদ্বেষ-হানাহানিতে বিপর্যস্ত। এ দুর্গতি থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় নেই রুদ্ররূপে মাওলার আবির্ভাব ব্যতিত। মাওলা আলী যাঁর আবির্ভাবের বিষয়ে অর্থাৎ<strong> ইমাম মেহেদী’</strong>র উত্থানের ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন আমরা তাঁর আগমনের প্রতীক্ষায় রইলাম।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>জয় মহাগুরু আলী।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img src="http://a3.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/312042_229729187081877_100001343934158_604984_828834548_n.jpg" alt="" /></p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/663/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/663/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=663&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/10/06/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%93/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://khanahmed.files.wordpress.com/2011/10/dsc_0052.jpg" medium="image">
			<media:title type="html">DSC_0052</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://a3.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/312042_229729187081877_100001343934158_604984_828834548_n.jpg" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>গদীর-এ-খুম</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/09/26/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8f-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/09/26/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8f-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 26 Sep 2011 08:40:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[1]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামের ইতিহাস ও ইতিহাস বিকৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[কারবালা ও মুয়াবিয়া -সৈয়দ গোলাম মোরশেদ]]></category>
		<category><![CDATA[কারবালা ও মুয়াবিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[গদীর -এ-খুম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=659</guid>
		<description><![CDATA[সংকলকের ভূমিকাঃ কারবালা ও মুয়াবিয়া এই শিরোনামে সৈয়দ গোলাম মোরশেদ লিখিত একটি অসাধারণ বই ,যা আমি দীর্ঘকিছুদিন ধরে পড়ে আসছি।বইটি সরল বাক্যে সহজপাঠ্য ও বিষয়গুলিকে চমতকার ভাবে তুলে ধরেছেন।আজ আমি বইটির একটি প্রবন্ধ তুলে আনব এখানে।তুলে আনার পিছনে কিছু কারণ আছে এবং যা আমাদের জন্য সত্যের পথে যাত্রী ও নাজাতের অবলম্বন হবে। ইসলামের ইতিহাসে মাওলা [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=659&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সংকলকের ভূমিকাঃ</strong></p>
<p>কারবালা ও মুয়াবিয়া এই শিরোনামে সৈয়দ গোলাম মোরশেদ লিখিত একটি অসাধারণ বই ,যা আমি দীর্ঘকিছুদিন ধরে পড়ে আসছি।বইটি সরল বাক্যে সহজপাঠ্য ও বিষয়গুলিকে চমতকার ভাবে তুলে ধরেছেন।আজ আমি বইটির একটি প্রবন্ধ তুলে আনব এখানে।তুলে আনার পিছনে কিছু কারণ আছে এবং যা আমাদের জন্য সত্যের পথে যাত্রী ও নাজাতের অবলম্বন হবে।</p>
<p>ইসলামের ইতিহাসে মাওলা মনোনয়ন এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা,যা কালের পরিবর্তনে কিছু তথাকথিত ইসলামের শত্রুদ্বারা সত্যকে মাটি চাপা দিয়ে নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে আজও তাদের মিথ্যে কুফরী প্রথা ইসলাম বলে চালিয়ে নিয়ে আসছে।যা আমাদের মত সত্য অনুরাগী ও ইসলামের খাদেম ,নবীজীর গোলাম,আহলে বাইতের গোলামদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।তাই বিভিন্ন সময়ে শিয়া মতবাদের অনুসারী বলে গালিগালাজ শুনতে হয়।আমি বলছি <span style="text-decoration:underline;">আহলে বাইত কে অনুসরণ করতে গিয়ে যদি আমাকে শিয়া হতে হয়,তাহলে শিয়া হতে আমি এক পা পিছু হটবনা</span> ।</p>
<p>সে সব সত্য ঘটনা,যা ছিল পরবর্তী ইসলাম অনুসারীদের জন্য সঠিক দিক নিদের্শন ।তা কালের স্রোতে বিভিন্ন শাসক গোষ্ঠীদের হাতে লাঞ্চিত হয়েছে।কিন্তু সত্য ,চিরসত্য মানুষকে দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকবে,যদি আমরা সত্যের পথের যাত্রী হতে পারি ।</p>
<p><strong>গদীর-এ-খুম(মওলা মনোনয়ন)</strong></p>
<p>হে রসুল(সঃ) পৌছাইয়া দিন ,যাহা আপনার রব হতে নাযিল হয়েছে।আর যদি তা না করা হয়,তাহলে তো আল্লাহর  রেছালত পৌঁছিয়ে  দেওয়া হল না।আল্লাহ শীঘ্রই আপনাকে  মানবমন্ডলী হতে নিয়ে আসবেন ।নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদের হেদায়েত করেন না ।(সূরা মায়েদাঃ৬৭)</p>
<p>উক্ত আয়াতে করিমটি কোরানের শেষ আয়াতের আগের আয়াত।বিদায় হজ্বের পর আঃহযরত(সাঃ) যখন মদিনার পথে রওয়ানা হলেন তখন ১৮ ই জিলহজ্ব ১০ হিঃ &#8216;গদীর -এ-খুম&#8221;নামক স্থানে উক্ত আয়াত নাযিল হয়।এ ঐতিহাসিক ঘটনার ৮০ কিম্বা ৮৪ দিন পর প্রিয়নবী (সাঃ) আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান ।উক্ত আয়াতে করিমে বলা হয়েছে-</p>
<p>হে রসুল (সাঃ) ,আপনার প্রভু হতে যা নাযিল করা হয়েছে,তা  উম্মতের  নিকট পৌঁছে দিন অন্যথায় রেছালত পৌঁছানো সম্পন্ন হল না ।</p>
<p>এমন কি আদেশ,আল্লাহপাক নবীকরিম (সাঃ) কে দিয়েছেন যা এখনো পৌঁছানো হয় নি?এবং তা শীঘ্রই পৌঁছিয়ে দিতে পুনঃনির্দেশ দেওয়া হচ্ছে?এবং তা পৌঁছানো ব্যতীত রেছালত পৌছানো সম্পন্ন হল না বলে স্বয়ং আল্লাহ্‌পাক ঘোষণা করছেন?উক্ত আদেশ পৌঁছানোর ব্যাপারে এমনিতেই অনেক দেরী হয়ে গেছে।সুতরাং আর দেরী করা যাবে না,কারণ শীঘ্রই আল্লাহপাক তাঁর প্রিয় হাবিব(সাঃ) কে তাঁর সান্নিধ্যে নিয়ে আনবেন ।</p>
<p>হযরত (সাঃ)-এর উপর  দীরগঘ তেইশ বছর ধরে পবিত্র কোরান নাযিল হয়ে আসছে।নবুয়ত ও রেছালতের বিভিন্ন নির্দেশ যথাসময়ে তিনি উম্মতের নিকট পৌঁছিয়ে দিয়েছেন।কোরান অবতীর্ণ ও প্রায় শেষ।আর মাত্র একটি আয়াত নাযিল হতে বাকি ।বিদায়হজ্বে সকলের কাছ থেকে বিদায়ও নেওয়া হয়েছে।নবীজী(সাঃ) -এর শেষ সময় ,আর মাত্র ৮০ বা৮৪ দিন বাকী।এখন চিন্তার করার বিষয় হচ্ছে,কি এমন নির্দেশ আল্লাহপাক দিয়েছেন,যা এখানো পৌঁছানো হয়নি।সত্যিই ভাববার বিষয়! উক্ত আয়াতে নাযিল হওয়ার  পর রসুল(সাঃ) সে নির্দেশটি উম্মতকে জানিয়ে দেওয়ার জন্য &#8216;গদীর-এ-খুম&#8217; এলাকায় একটি অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।বারায়া ইবনে আজেব এবং জায়েদ ইবনে আকরাম বর্ণনা করেছেনঃ-</p>
<p>যখন রসুল(সাঃ) গদীর-এ-খুম এলাকায় আসিয়া অবতরণ করিলেন ,আলী (রাঃ) এর হাত ধ্রিলেন এবং বলিলেনঃ&#8217;তোমরা কি জান না যে,আমি মুমিনদিগের নিজদিগ হইতে অধিক আওলা?&#8221;</p>
<p>লোকেরা বলিলঃহ্যা।তখন তিনি বলিলেন,</p>
<p>মান কুনতুম মাওলাহু ফাহাজা আলী উন মাওলাহু,আল্লাহুমা ওয়ালে মান ওয়ালাহু ,আদা মান আদাহু ,আনসুর মান নাসারা,অখজুল মান খাজালা,ফাল ইয়াস হাদিল হাজেরুল খায়েরা ।</p>
<p>হে আল্লাহ ,আমি যাহারা মাওলা আলীও তাঁহার মাওলা।হে আল্লাহ ,যে ব্যক্তি তাঁহাকে বন্ধু বানায় তুমিও তাঁহাকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করিও।যে ব্যক্তি তাঁহার সঙ্গে শত্রুতা করে তুমিও তাহার সঙ্গে শত্রুতা কর ।</p>
<p>অতঃপর আবু বকর ও ওমর তাঁহার(আলী)সঙ্গে সাক্ষাত করিলেন এবং তাঁহাকে (আলীকে) অভিনন্দনে বলিলেনঃহে আবু তালেবের সন্তান,প্রত্যেক মুমিন নর-নারীর  মাওলা হিসেবে অভিনন্দিত হইয়া তুমি সকাল করিবে এবং সন্ধ্যা করিবে।</p>
<p>রেফারেন্সঃ</p>
<p>(আহম্মদ-আল-হাদীস,মেশকাত ৪র্থ খন্ড,পৃ।৫৪৮,ফজলুল করিম।;মসনদে আহমদ ইবনে হাম্বল,৪র্থ খন্ড,পৃ।২৮১;তফসীরে কাশশাফ ।তফসীরে দোররে মনসুর,আল্লামা জালালুদ্দিন সূয়তী,২য় খন্ড (মিশর)।সহি মুসলিম,২য় খন্ড,পৃ।৩৬২;মোসতাদারাক হাকীম ,২য় খন্ড,পৃ .১০৯)</p>
<p><span style="text-decoration:underline;"><strong>নোটঃ</strong>ঐতিহাসিক এ হাদীসটি কমপক্ষে ১১০ জন সাহাবা,৮৪ জন তাবিঈন,৩৫৫ জন ওলামা,২৫ জন ঐতিহাসিক,২৭ জন হাদীস সংগ্রাহক,১১ জন ফিকাহবিদ,১৮ জন ধর্মতাত্ত্বিক ও ৫জন ভাষাতাত্ত্বিক কর্তৃক বর্ণিত হয়ছে।</span></p>
<p>এভাবে যখন কোরানের শেষ আয়াতটি নাযিল হল,</p>
<p>আজ কাফেরগণ তোমাদের দ্বীন হতে নিরাশ হয়ে গেছে।অতএব,তাদের ভয় কর না;ভয় কর আমাকে।দ্বীন আজ তোমাদের পূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের দ্বীনের উপর রাজি হয়ে গেলাম ।(সূরা মায়েদা-৩)</p>
<p>উম্মতে মোহাম্মাদী(সাঃ) এর দ্বীন পরিপূর্ণ হওয়ার ঘোষণা এবং তাদের উপর আল্লাহর নেয়ামত দান করার বিষয়টি সম্পূর্ণ হল,তাই প্রিয় নবীজী(সাঃ) আল্লাহর নিকট এই বলে শোক্রিয়া আদায় করলেন,</p>
<p>আল্লাহ আকবর,আল হামদুল্লিলাহা আলা আকমালে দ্বীনা,ওয়া এতমামেন নেয়ামতিন,ওয়া রেজা য়ে রাব্বি আলা-রেসালাতী ওয়া বেলায়াতি আলী ইবনে আবু তালেব ।</p>
<p>অর্থাৎ আল্লাহ মহানতর,দ্বীনকে কামেল করে দেওয়ার উপর  এবং নেয়ামতকে পরিপূর্ণ করে দেওয়ার উপর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং আমার রেছালতের উপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং আবু তালেবনন্দন আলীর বেলায়তের জন্য সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।(মাওলার অভিষেক,সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী পৃ।৭,হাকেম হাসকানী</p>
<p>তার স্বীয় তফসীরে,হাফেজ আবু নাঈম ইসপাহানী&#8217;মা আনযাল মিনাল কোরান ফা আলীয়্যান গন্থে উল্লেখ।সূত্র গাদীর-এ-খুমের তাৎপর্য।মাওলানা আলী আক্কাস।</p>
<p>রসুল(সাঃ) এর ওই ভাবের উপর আল্লাহর যে নির্দেশ হয়েছিল তার উপর টীকা করতে গিয়ে তফসীরে কাশশাফ লিখেছেন-</p>
<p>হজ্বছে যাব তুম ফারেগ হো তব আলী কো মোকাররার কর দো।</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/659/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/659/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=659&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/09/26/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8f-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>রহমতুল্লিল আলামীন(সমস্ত আলমের জন্য রহমত) মূলবইঃমসজিদ দর্শন লেখক-সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী (দ্বিতীয় পর্ব)</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/22/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-2/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/22/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-2/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 22 Aug 2011 09:20:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=656</guid>
		<description><![CDATA[দ্বিতীয় পর্বে রহমতুল্লিল আলামীন(সমস্ত আলমের জন্য রহমত) অধ্যাটির শেষ অংশটুকু সংকলিত।মসজিদ দর্শন বইটি থেকে কিছু অধ্যায় সংকলনের কাজ করছি কেন?এই প্রশ্নের জবাবে শুধু  উত্তর-সত্যের  পথে পথচলা,গোমরাহী থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্ঠা ।আমি অল্প কয়েকদিন আগে থেকে সদর গুরুকে পড়তে শুরু করেছি,এবং ভাল লাগছিল পড়তে।তাই আমার ব্লগে সংকলন করার বিষয়টা মাথায় আসে ।এই সংকলনের মাধ্যমে যদি [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=656&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দ্বিতীয় পর্বে রহমতুল্লিল আলামীন(সমস্ত আলমের জন্য রহমত) অধ্যাটির শেষ অংশটুকু সংকলিত।মসজিদ দর্শন বইটি থেকে কিছু অধ্যায় সংকলনের কাজ করছি কেন?এই প্রশ্নের জবাবে শুধু  উত্তর-সত্যের  পথে পথচলা,গোমরাহী থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্ঠা ।আমি অল্প কয়েকদিন আগে থেকে সদর গুরুকে পড়তে শুরু করেছি,এবং ভাল লাগছিল পড়তে।তাই আমার ব্লগে সংকলন করার বিষয়টা মাথায় আসে ।এই সংকলনের মাধ্যমে যদি একজন ব্যক্তি ও উপকৃত হয় তাহাতেই আমার সার্থকতা ।নূরে মোহাম্মদীর ছায়াতলে প্রশান্তির স্থান ।যা থেকে আমরা বঞ্চিত হব না। ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>মোহাম্মাদ অর্থ প্রশংশিত ।যেই পরদার অন্তরালে তিনি প্রত্যক্ষ লীলারত উহাই প্রশংশিত।ইহা সৃষ্টিলীলার অশেষ সৌ্ন্দর্য ও বিজ্ঞানময় পরম  রহস্য।এই জন্য মোহাম্মদ কোথাও সীমায় আবদ্ধ নহেন।তিনি নূরে মোহাম্মাদীরুপে  আল্লাহর সঙ্গে একই গুণে গুণানিত্ব ।যথা ঃআউয়ালে-আখের ,জাহের বাতেনে তিনিই নবী,তিনি রসুল,তিনিই দাস,তিনিই প্রশংশিত ।তিনি ছাড়া আর কেহই আল্লাহর দাসত্বের যোগ্য হইতে পারে না;তাই তিনি মোহাম্মদ অর্থাৎ প্রশংশিত ।</p>
<p>শুধু মানবরুপে কখনো রহমতুল্লিল আলামীন হইতে পারে না।একমাত্র নূরে মোহাম্মদী সর্বসৃষ্টির রহমতরুপে বিরাজ করিতে পারে।আল্লাহ স্বয়ং নূর রুপে যেমন সমগ্র সৃষ্টি পরিব্যপ্ত হইয়া রহিয়াছেন সেইরুপ নূরে মোহাম্মদী তাঁহার রহমতরুপে সমস্ত সৃষ্টিতে তিনিই বিকশিত করিয়া রাখিয়াছেন,কিন্তু মানুষ ব্যতীত অন্য সৃষ্টি মহানূরের পরিচয়জ্ঞাযাবাভ করিতে সক্ষম নহে ।ইহার কারণ তাহাদিগকে বিশেষ জাগ্রত নফস দান করা হয় নাই ।আমিত্ব বিনাশে চেষ্ঠারত ব্যক্তিদিগ হইত আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী আল্লাহ যাহাকে খুশি ইহার প্রত্যক্ষ জ্ঞান ও অধিকার দান করেন ।</p>
<p>প্রকৃত মসজিদকে তৌহিদ গৃহ বলা চলে ।মানুষ এইরুপ মসজিদ রচনা করিয়া যখন তথিদে সুপ্রতিষ্ঠিত হয় অর্থাৎ নফস যখন সম্পূর্ণ আমিত্ব বর্জিত হইয়া আপন রবকেই নিজের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করিতে পারে তখন আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল ইলাহ বর্জন করিতে সক্ষম হয়।অর্থাৎ সৃষ্টির উপর সর্বপ্রকার চাহিদা ও নির্ভর হইতে সম্পূর্ণ মুক্ত হইতে পারে।</p>
<p>আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ প্রকৃতপক্ষে এই সৃষ্টিতে নাই। অথচ মানব মন সাময়িক চিন্তা ও সৃজনশক্তি  লাভ  করিয়া অনেক মিথ্যে ইলাহ সৃষ্টি করিয়া লইয়াছে তাহার অবলম্বনরুপে ।শুধু তাহাই নহে ,এই মহাভুল নিজ বুদ্ধি দ্বারা তাহার বুঝিবার সাধ্যও নাই ।এইজন্যে নুরে মোহাম্মদীর অধিকারী করিয়া আল্লাহ তাঁহার প্রেরিতগণকে পাঠাইয়াছেন মানুষের মন হইতে সকল ইলাহ ধ্বংস করিয়া আল্লাহর দিকে হেদায়তের জন্য ।ইহাদের মধ্যে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক শক্তিমান তিনি হইলেন মোহাম্মদ মোস্তফা(আঃ)।</p>
<p><span style="text-decoration:underline;">আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহর সত্যিকারের কোনোরুপ ক্ষমতা ও অধিকার নাই ,এমনকি প্রকৃত অস্তিত্বও নাই ,বরং আল্লাহতা&#8217;লাই যে একমাত্র অধিকারী  এই একমাত্র মহাসত্য  বুঝিতে যেন মানুষের কোনো তকলিফ না হয় এই জন্য রসুলাল্লাহ (আঃ) কে মানুষরুপী রহমতুল্লিল আলামীন রুপেও প্রকাশ করিয়াছেন।অন্যকথায় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বুঝাইবার জন্যই তাঁহার আগমন।এইজন্য তাঁহাকে খলিফাতুল্লাহে আকবর বলা হইয়াছে।অর্থাৎ তিনি আল্লাহর প্রতিনিধিগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি ।</span></p>
<p><span style="text-decoration:underline;">রসুলাল্লাহ(আঃ) যখন স্বয়ং নবীরুপে বিদ্যমান ছিলেন তখন কোনো তরিকা,ইমাম অথবা মজহাবের প্রয়োজন ছিল না ।কারণ তিনি স্বয়ং আল্লাহর প্রতিনিধিরুপে বিদ্যমান ছিলেন।হুজুর (আঃ) যখন ইন্তেকাল করিলেন পৃথিবী কাদিতে লাগিল,কারণ তিনি তো সকলের রুহ ।আল্লাহ বলিলেন,যুগে যুগে আমি সেই নূরের বিকাশ তোমার বুকে ধারণ করাইব তখন হইতে সেই মহানূরের পরিপূর্ণ বিকাশ পৃথিবীর বুকে বিশেষ  বিশেষ লোক পরম্পরায় উওরাধিকারিত্ব** লইয়া চলিয়া আসিতেছে।</span></p>
<p><span style="text-decoration:underline;">** মোহাম্মদ মোস্তফা (আঃ) এর এইরুপ উত্তরাধিকারী ব্যক্তিগণের মধ্যে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তি হইলেন তাঁহার বংশীয় ১২ জন ইমাম।ইঁহারা হইলেন হযরত আলী(আঃ) হইতে আরম্ভ করিয়া মোহাম্মদ মেহেদী(আঃ) পর্যন্ত ।তাহা ছাড়া মোহাম্মদ মোস্তফা (আঃ) এর পূর্ববর্তী নবী ও অলিগণের মধ্যে নূরে মোহাম্মদী এর এক্যেই বিকাশ লাভ হইয়াছিল তাহা হইতে অধিক শক্তিশালী ও পূর্ণতর বিকাশ হইয়াছে এবং হইতে থাকিবা পরবর্তী অলিগণের মধ্যে।</span></p>
<p><span style="text-decoration:underline;">এইরুপ নূরে মোহাম্মদী দ্বারা ভরপুর স্বল্প কতক অলি আল্লাহও পৃথিবীর বুকে সর্বযুগেই সশরীরে বিরাজমান আছেন ।মানুষ রহমতুল্লিল আলামীনকে গ্রহণ করিতে চাহিলে উত্তরধিকারিত্বের এই পথে তাহাকে অগ্রসর হইতে হইবে ।</span></p>
<p>এই মতবাদকে ছিন্ন করাই ওহাবী মতের মূল উদ্দেশ্য।এইজন্য ওহাবীগণ পীর প্রথা,ত্রিকা ও মজহাব মানতে রাজি নহে।তাহারা বলে আমরা রসুলাল্লাহ(আঃ০ কে অনুসর করিব।তাঁহার পরবর্তী কোনো মতামত ও রীতিনীতি আমরা গ্রহণ করিব না ।ইহা ভ্রান্ত মত ।কারণ রসুলাল্লাহ (আঃ০ কে অনুসরণ করিতে চাহিলে ঐ সকল মহাপুরুষগণের যে কোনো এক শাখা অবলম্বন করিতে হইবে যাহাদের মধ্যে নূরে মোহাম্মদী জাগ্রত ও উদ্ভাসিত হইয়া রসুলের শান মান প্রকাযাবাভ করিতেছে ,অন্যথায় সোজাসুজি রসুলাল্লাহ (আঃ) কে অনুসরণ করা সহজসাধ্য হইতেই পারে না ।</p>
<p>রহমতুল্লিল আলামীন(সমস্ত আলমের জন্য রহমত) অধ্যায়ের এখানে সমাপ্তি।তবে মূল বইয়ের নানা জায়গায় ওহাবী মতবাদের স্থূল বিষয়গুলো বলা  হয়েছে।সময় পেলে সংকলনের চেষ্ঠা থাকবে ।আশাকরি আল্লাহ আমাদের নূরে মোহাম্মদীর ছায়াতলে থাকার তৌফিক দিবেন ।(আমিন)</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/656/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/656/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=656&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/22/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-2/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>অনুগল্পের কিছু কথা</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/21/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/21/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 21 Aug 2011 20:28:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুকাব্য]]></category>
		<category><![CDATA[কাব্য ভাবনা]]></category>
		<category><![CDATA[গদ্যের ভাষায় পদ্যের তালাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=653</guid>
		<description><![CDATA[তোরা প্রেম করিস না প্রেমে মজি হোস হারায়স না কার লগে করবি প্রেম যে জন তোর হবে না আমরা কেউ কারো নই আবার আমরা সবাই সবার প্রেমে মজিলে ,বিষাদ যাতনা।।-তানভীর আহমেদ<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=653&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<h6>তোরা প্রেম করিস না<br />
প্রেমে মজি হোস হারায়স না<br />
কার লগে করবি প্রেম<br />
যে জন তোর হবে না<br />
আমরা কেউ কারো নই<br />
আবার আমরা সবাই সবার<br />
প্রেমে মজিলে ,বিষাদ যাতনা।।-তানভীর আহমেদ</h6>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/653/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/653/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=653&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/21/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>রহমতুল্লিল আলামীন(সমস্ত আলমের জন্য রহমত) মূলবইঃমসজিদ দর্শন লেখক-সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী (প্রথম পর্ব)</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/21/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/21/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 21 Aug 2011 20:24:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=651</guid>
		<description><![CDATA[আমার সৌভাগ্য হয়েছে সাধক সদর উদ্দিন চিশতীর মসজিদ দর্শন বইটির উল্লেখ্যযোগ্য কিছু অধ্যায় এইখানে সংকলন করার।বিশেষ করে ইসলামের মূল তোহিদের বাণী ও রহমতুল্লিল আলামীন মুহম্মদ মোস্তফা(দঃ) এর শানে বর্ণিত এই অধ্যায় ।আমরা যেন আহলে রসুল ও আহলে বাইত এর পথ থেকে সরে না যায়,তাই বিষয়গুলো আমাদের জানা দরকার ।যারা রসুলল্লাহর শত্রু ,ইসলামের শত্র্য,সেসব এজেন্টদের থেকে [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=651&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমার সৌভাগ্য হয়েছে সাধক সদর উদ্দিন চিশতীর মসজিদ দর্শন বইটির উল্লেখ্যযোগ্য কিছু অধ্যায় এইখানে সংকলন করার।বিশেষ করে ইসলামের মূল তোহিদের বাণী ও রহমতুল্লিল আলামীন মুহম্মদ</p>
<p>মোস্তফা(দঃ) এর শানে বর্ণিত এই অধ্যায় ।আমরা যেন আহলে রসুল ও আহলে বাইত এর পথ থেকে সরে না যায়,তাই বিষয়গুলো আমাদের জানা দরকার ।যারা রসুলল্লাহর শত্রু ,ইসলামের শত্র্য,সেসব</p>
<p>এজেন্টদের থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন ।আমি ধারাবাহিকভাবে অধ্যায়টি সংকলন করার আশা ।</p>
<p>কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃআবদেল মাননান (চাচা),যার কাছ থেকে সদর গুরুর বইগুলি আমার হাতে পৌছাল।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আল্লাহর জাত পাকের সঙ্গে রসুলাল্লাহ (আঃ) এর ‘রহমতুল্লিল আলামীন’গূন ওতপ্রোতভাবে জড়াইয়া রহিয়াছে । সর্বপ্রকার আলেমের সমগ্র সৃষ্টির জন্য তিনি আল্লাহর রহমত।অর্থাৎ</p>
<p>নূরে মোহাম্মাদীরুপে তিনি সৃষ্টির জন্য তিনি সৃষ্টির সর্বত্র বিরাজ করিতেছেন ।শুধু তাহাই নহে,তাঁহার পাক নূর হইতে সমস্ত সৃষ্টি জন্মলাভ করিয়া অস্তিত্বে আসিয়াছে ও আসিতেছে ।</p>
<p>আল্লাহ হইতেই সৃষ্টির আগমন এবং তাঁহারই দিকে সমস্ত সৃষ্টির প্রত্যাবর্তন এই নূরে মোহাম্মাদীর মাধ্যমে হইয়া থাকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>&#8220;আমি আল্লাহর নূর হইতে এবং আমার নূর হইতে সমস্ত সৃষ্টি-(হাদিস)</strong>&#8220;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আল্লাহ জাত পাক হইতে নূরে মোহাম্মাদী নির্গত ও বিকশিত করিয়া উহা হইতে সমগ্র স্রিষ্টির প্রকাশ না করিলে লোকে সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টার অস্তিত্বের স্থূল ধারণা  পোষণ করিত এবং তাহাকে শেরেকের পর্যায়ে</p>
<p>লইয়া আসিত ।আল্লাহতে নিমজ্জিত হইয়া সত্য দর্শন না করা পর্যন্ত লোকে বলিত স্রষ্টা নিজেই রুপান্ত রিত অবস্থায় সৃষ্টিরুপে বিরাজ করিতেছেন এবং এই ভাবধারায় উপর সৃষ্টির পূজাকেই স্রষ্টার পূজা এখনো</p>
<p>কম হইতেছে না।এইরুপ শেরেক হইতে নূরে মোহাম্মাদী দুনিয়ার মানুষকে উদ্বার করিয়াছেন ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এতদ্সত্বেও নূরে মোহাম্মাদী দর্শনের মাধ্যমে সৃষ্টিময় এককভাবে আল্লাহরই নূরের বিকাশ প্রত্যক্ষ না করা পর্যন্ত মানুষ কম বেশি শেরেকের মধ্যে বাস করে।অখন্ড একক অস্তিত্ব ও একক বিকাশের সঙ্গে মনের</p>
<p>পূর্ণ সমন্বয়ের দ্বারাই শেরেকরুপ পর্দা মন হইতে দূরীভূত  হইতে পারে। ইহাই আল্লাহর সঙ্গে মানুষের মিলন।মিলনের পয়্ররব পর্যন্ত  কম বেশি শেরেকের মানব মনে থাকিবেই ,কারণ একক অস্তিত্বে বাস করা</p>
<p>তৌহিদ।বহুতে বাস করা শেরেক।আল্লাহর দেওয়া এই রহমতুল্লিল আলামীন খেতাব এমনই রহস্যময় ও চরম মর্যাদাপূর্ণ যে,তাহা দুনিয়ার মানুষের জ্ঞান বহির্ভূত । সংক্ষেপে রহমতুল্লিল আলামীন,অর্থ রুহ।</p>
<p>সুতরাং তিনি সমস্ত আলেমের রুহ।হযরত ইসা আলায়হেস সালাম যে রুহ লাভ করিয়া রুহুল্লাহ খেতাব লাভ করিয়াছেন তাহাও রহমতুল্লিল আলামীন এর দান **।এই মহাতত্ব বুঝিয়া নেওয়ার প্রয়োজন আছে ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>**খ্রিস্টানগণ হযরত ইসা (আঃ) এর রুহুলাল্লাহ খেতাব উল্লেখ করিয়া তাঁহাকেই মানবশ্রেষ্ট বলিয়া প্রমাণের চেষ্টা করে ।হযরত ইসা(আঃ) তো দূরের কথা হযরত আদম (আঃ) হইতে সৃষ্টির শেষ পর্যন্ত</p>
<p>সকল মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের দিক হইতে দ্বিতীয় স্থানটিও অধিকার করিয়াছেন হযরত আলী (আঃ)।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সমস্ত আলেমের জন্য তিনি আল্লাহর রুহ ।রুহপ্রাপ্ত যে কোনো ওলি আল্লাহকে রুহুলাল্লাহ বলা চলে যদিও এই খেতাবে ইসা(আঃ) কে বিশেষভাবে ভূষিত করা হইয়াছে কারণ তিনি আজীবন রুহুল্লাহ।</p>
<p>পক্ষান্তরে ,হযরত রসুলাল্লাহ(আঃ) সমস্ত আলেমের জন্য রুহ-অর্থাৎ সমগ্র সৃষ্টি রুহপ্রাপ্তির জন্য রসুলাল্লাহ (আঃ) এর উপর (অর্থাৎ নূরে মোহাম্মাদীর উপর) নির্ভরশীল ।তিনিই আল্লাহর প্রতিনিধিরুপে এককভাবে রুপদাতা ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>কোরানে উল্লিখিত এই দুই মহামানবের খেতাব দুইটি হইতে তাঁহাদের মর্যাদার তারতম্য বিষেষভাবে পরিদৃষ্ট হয়,যদিও তথিদ সাগরে নবীদের মধ্যে কোন তারতম্য করাই যায় না।সেইখানে সকলেই একের</p>
<p>মধ্যে লীন রহিয়াছেন ।আল্লাহ তাঁহার স্বরুপ প্রকাশের ধারার মধ্যে আবরণী অর্থাৎ পর্দা গ্রহণ করিয়াছেন যেন তিনি বেপর্দা না হইয়া পড়েন।মাটির মানুশ মোহাম্মদ (দঃ) তাঁহার এই পর্দা &#8230;।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>প্রথম পর্বের এখানেই সমাপ্তি &#8230;</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/651/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/651/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=651&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/21/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>শরীয়ত ও তরিকত(সংকলিত) মূল-সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী</title>
		<link>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/20/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9f%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%b8/</link>
		<comments>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/20/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9f%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%b8/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 20 Aug 2011 17:56:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://khanahmed.wordpress.com/?p=649</guid>
		<description><![CDATA[মসজিদ দর্শন বইটির একটি অধ্যায় হচ্ছে শ রীয়ত ও তরিকত ।বইটি থেকে সংকলিত অধ্যায়টি  এখানে প্রতীয়মান।শরীয়ত ও তরিকত নিয়ে একটি দিক দর্শন ও আলোকপাত করেছেন লেখক ইসলামের মূলধারায় তাওহীদের কথায় এখানে স্পষ্টত,ভ্রান্ত মতবাদের কোন ছায়ায় এখানে পরিলক্ষিত হয়নি &#8230; &#8220;প্রকৃতপক্ষে শরীয়ত ইহতে তরিকতকে এবং তরিকত ইহতে শরীয়তকে পৃথক জানাই পাপ এবং মারেফাত ব্যতীত কোনো এবাদতই [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=649&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>
<p><strong>মসজিদ দর্শন বইটির</strong> একটি অধ্যায় হচ্ছে শ রীয়ত ও তরিকত ।বইটি থেকে সংকলিত অধ্যায়টি  এখানে প্রতীয়মান।শরীয়ত ও তরিকত নিয়ে একটি দিক দর্শন ও আলোকপাত করেছেন লেখক</p>
<p>ইসলামের মূলধারায় তাওহীদের কথায় এখানে স্পষ্টত,ভ্রান্ত মতবাদের কোন ছায়ায় এখানে পরিলক্ষিত হয়নি &#8230;</p>
<p>&#8220;প্রকৃতপক্ষে শরীয়ত ইহতে তরিকতকে এবং তরিকত ইহতে শরীয়তকে পৃথক জানাই পাপ এবং মারেফাত ব্যতীত কোনো এবাদতই হইতে পারে না ।শরীয়ত দেহ,তরিকত তাহার প্রাণ।প্রাণ ব্যতীত দেহ যেমন অচল ও অকর্মণ্য,সেইরুপ তরিকত ব্যতীত শরীয়তও অচল,অসম্পূর্ণ ও প্রাণহীন মৃতদেহ মাত্র ।মোটের উপর ইসলাম(অর্থাৎ আত্ম সমর্পণ),ইমান ও মারেফাতে এলাহি এই তিনটি মিলিয়া শরীয়ত গঠিত হইয়াছে।অর্থাৎ এই তিনটির সমষ্টিগত অস্তিত্ব বা ব্যবহার নাম শরীয়ত।সুতরাং উহাদের একটি বাদ পড়িয়া গেলেই শরীয়ত অপূর্ণ থাকিয়া যাইবে।ইসলাম ও ইমান লাভ করিবার জন্য মারেফাতে এলাহি হাসেল করাও ফরজ।অতএব ,আহলে মারেফাত না হইলে আহলে শরীয়ত হওয়া যায় না এবং যিনি আহলে শরীয়ত ,তিনিই আহলে মারেফাত &#8220;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অহাবীগণ আহলে মারেফাত নহে বলিয়া তাহারা শরীয়ত ইহতেও বঞ্চিত হইয়া থাকে ।মহব্বত ও আদবের অভাব বুদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ তত্বজ্ঞাণের অভাবে সন্দেহ ও অবিশ্বাসে আচ্ছন্ন হইয়া রসুল্লাল্লাহ(দঃ)-এর সহিত এবং তাঁহার প্রতিনিধিস্থানীয় আউলিয়াগণের সহিত দেয়াদবি করিবার দরুন অহাবীদের মন রহমতে  এলাহির অভাবে মরিয়া গিয়াছে ।ঐ সকাল কাষ্ঠহৃদয় লোক হইতে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয় ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অবশ্য সর্বসাধারণ আহলে শরীয়ত না হইলেও চলিতে পারে ।নেতার প্রতি ভক্তি ও ভালবাসা রাখিয়া কাজ করিয়া গেলেই মুক্তি পাইতে পারিবে,কিন্তু চালক যদি প্রকৃত প্রস্তাবে আহলে শরীয়ত না হয় তাহা হইলে তাহার অনুসরণকারীগণ শুধু আনুষ্ঠানিক কাজ অন্ধের মতো করিয়া চলিলে লাভবান হইতে পারিবে না ।রসুলাল্লাহ(দঃ) এর সময়কার অনুসরণকারীদের কথা আলাদা ।তাঁহাদের তথ্য বুঝিবার কোনো প্রয়োজন ছিল না।মহানতম নেতার আদেশ পালন করাই ছিল তাহাদের জন্য যতেষ্ট,কারণ ,তিনি স্বয়ং ইসলাম ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>যাহার সঙ্গে যে মহব্বত রাখে তাহার সঙ্গে সে পরকালে মিলিত হইবার সুযোগ লাভ করিবে।ইহা কোরান হাদিসের একটি বিষেষ বক্তব্য ।পাপী তাপী সর্বসাধারণের শুধু ইহার সাহায্যে ক্রমোন্নতি লাভ করিবার আশা করিতে পারে নতুবা নিজে এবাদত করিয়া কোরান হাদিসের অনুমোদন লাভ করিবার মতো এবাদত লইয়া পরকালে যাইতে পারবে-এইরুপ আশা করা কঠিন।</p>
<p>রসুল(আঃ) এর প্রতিনিধিস্থানীয় যতো অলিয়ে কামেল যুগে যুগে বিকশিত  হইয়া আসিতেছেন তাহাদের সঙ্গে আনুগত্য ও প্রেমের সম্বন্ধ যাহারা রাখিবেন তাহারা সবাই নূরে মোহাম্মাদীর শাফায়াত লাভ করিবেন ।অহাবীরা সেই সুযোগ হইতে বঞ্চিত।তাহারা বলে -আমরা রসুলাল্লাহ(আঃ) এর সরাসরি অনুসরণ করিব।মধ্যস্থ কোনো লোকের অনুসরন আমরা করিব না । পরবর্তী লোকের জন্য হুজুর(আঃ) কে সরাসরি চেনা সহজ নহে এবং তাঁহার অনুসরণ করাও সহজ নহে ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>কোনো আহলুল্লাহ্র সংস্রব না রাখিয়া শুধু আপন এবাদতের দ্বারা মুক্তিলাভ করা  লক্ষ লোকের মধ্যে একজনের সম্ভব হইতে পারে । সংসার জীবনে আমিত্বের বিস্তারিত জাল্কে সুটাইয়া একের দিকে সকল</p>
<p>চিন্তাধারা নিবন্ধ করিয়া একের প্রতিষ্ঠা নিজ মনে নিবদ্ধ করিয়া রাখা সহজ বিষয় নহে ।সূক্ষা সত্যের পথে পা রাখা কাহারো পক্ষে এককভাবে মোটেই সহজ নহে ।অথচ কামেল ব্যক্তিগণ হইতে মানুষের মনকে সরাইয়া অহাবীগণ মানুষকে ফেলিয়া দেয় নিতান্ত  একা ও অসহায় অবস্থায় ।বাহ্যিক এবাদত এবং আত্মগরিমার পাপ-পঙ্কিলে আবদ্ধ করে তাহাদের মনকে ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>কোনো মহামানবের ফয়েজ (আধ্যাত্মিক সাহায্যে ব্যতীত ক্ষমালাভ করা এবং জীবদ্দশায় আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ লাভ করা যায় না। এইদিকে আল্লাহ ছাড়া কাহারও দারস্থ হওয়া অহাবী মতে শেরেক ,অথচ</p>
<p>নূরে মোহাম্মাদীর দ্বারস্থ না হইয়া আল্লাহর দ্বারস্থ হওয়াই যায় না ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>হুজুর করীম (সঃ) বলিয়াছেন &#8220;আউলিয়াগণ আমার জুব্বার আড়ালে ,আমি ব্যতীত অন্য কেহ তাহাদিগকে চিনিতে পারে না&#8221;</p>
<p>অর্থঃআল্লাহ যখন যাঁহার নফসের মধ্যে নূরে মোহাম্মাদী প্রদান করেন(নূরে মোহাম্মাদী জাগ্রত ও বিকশিত করিয়া তুলেন)তখন সেই ব্যক্তি উহা দ্বারা আউলিয়াগণকে চিনিতে পারেন ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ আজমেরী (রঃ) এইরুপ বলিয়াছেন ,যাহার পীর নাই তাহার জন্য রসুলের শাফায়াত নাই।যাহার জন্য রসুলল্লাহ(আঃ) নাই তাহার জন্য আল্লাহর ক্ষমা ও মুক্তি নাই।</p>
<p>যাহার পীর নাই শয়তানই তাহার পীর(মকতুবাতে খাজা)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সূত্রঃ সাধক সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী রচিত মসজিদ দর্শন থেকে সংকলিত ।</strong></p>
<p>আমার চেষ্টা থাকবে ধারাবাহিক ভাবে সদরগুরু কালাম এখানে তুলে ধরা &#8230;।</p>
</div>
</div>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/khanahmed.wordpress.com/649/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/khanahmed.wordpress.com/649/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=khanahmed.wordpress.com&amp;blog=11170225&amp;post=649&amp;subd=khanahmed&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://khanahmed.wordpress.com/2011/08/20/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9f%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6dc9431a05e5e281d4beb29574ac8e63?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">তানভীর আহমেদ</media:title>
		</media:content>
	</item>
	</channel>
</rss>
